‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে লিখেছেন, "আমি আশা করে আছি, পরিত্রাণকর্তার জন্মদিন আসছে আমার দরিদ্র লাঞ্ছিত কুটিরের মধ্যে ; অপেক্ষা করতে থাকবো। সভ্যতার দৈববাণী নিয়ে সে আসবে, মানুষের চরম আশ্বাসের কথা মানুষকে এসে শোনাবে, এই পূর্ব দিগন্ত থেকেই। " রবি ঠাকুরের ত্রাণকর্তা চরম আশ্বাসের দৈববাণী নিয়ে এসেছেন ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৫ মার্চের মধ্যরাতে হানাদার বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইটের' জবাবে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে ঘোষনা করলেন...আজ হতে বাংলাদেশ স্বাধীন....চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।"

  1. ক)

    তিতুমীরের আসল নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    মাওলানা ভাসানীকে মজলুম জননেতা বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিত পূর্ণ ত্রাণকর্তা সাথে তোমার পঠিত যে মহান নেতা সাদৃশ্য রয়েছে তার রাজনৈতিক অবদান ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে ৭ মার্চের ভাষণ ছিল একটি মাইলফলক- বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আজীবন শোষিত, নির্যাতিত, কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। সাধারণ নিপীড়িত (মজলুম) মানুষের অধিকার আদায়ে সর্বদা সোচ্চার থাকার কারণে জনগণ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে 'মজলুম জননেতা' উপাধিতে ভূষিত করেছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত ত্রাণকর্তার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাদৃশ্য রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মহানায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তিনি ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬-র ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯-র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে স্বাধিকারের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। তাঁর দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আপসহীন সংগ্রাম বাঙালি জাতিকে দীর্ঘ শোষণ ও ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির চূড়ান্ত প্রেরণা জোগায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল একটি দিকনির্দেশনামূলক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন।

    "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"—এই কালজয়ী আহ্বানের মধ্য দিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ভাষণটিতে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা এবং যা কিছু আছে তা নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার সামরিক কৌশলগত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ফলে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ চালালে ৭ মার্চের নির্দেশনাই বাঙালিকে প্রতিরোধ ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে। তাই মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে এটি ছিল প্রকৃত অর্থেই একটি অনন্য মাইলফলক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন