‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূহ • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব ফজলে এলাহীর বাসায় ছোট বোন আসমা বেড়াতে এলো। রাতের খাবারের পর জনাব ফজলে এলাহী বোনের সাথে নিজের কর্ম প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা বলছিলেন। সম্প্রতি তিনি একটি জটিল মামলার নিষ্পত্তি করেছেন। প্রকৃত দোষী ব্যক্তির সাজা হয়েছে। আসমা তাকে জিজ্ঞাসা করলো, আইনের শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে? তিনি বললেন, তাঁর বিভাগ যখন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সব ধরনের প্রভাবমুক্ত থেকে রায় প্রদান করতে পারবে কেবল তখনই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

  1. ক)

    রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কী?

    (1)
  2. খ)

    বহুদলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জনাব ফজলে এলাহী সরকারের কোন বিভাগে কর্মরত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষাংশে তোমার পঠিত যে বিভাগটির কথা বলা হয়েছে তার স্বাধীনতা' রক্ষার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হলো নিয়মতান্ত্রিক বা সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনে জয়লাভ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা এবং নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বহুদলীয় ব্যবস্থা বলতে এমন একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে সংবিধানে একাধিক রাজনৈতিক দল গঠনের সুযোগ থাকে এবং নির্বাচনে দুইয়ের অধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ ব্যবস্থায় বিভিন্ন আদর্শের একাধিক দল নিজেদের নীতি ও কর্মসূচি নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হয় এবং জনগণ স্বাধীনভাবে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব ফজলে এলাহী সরকারের 'বিচার বিভাগ'-এ কর্মরত।

    সরকারের তিনটি প্রধান অঙ্গের অন্যতম হলো বিচার বিভাগ। যারা আইন ভঙ্গ করে তাদের বিচার করা, অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করা এবং নির্দোষ ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেওয়া এই বিভাগের কাজ।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব ফজলে এলাহী সম্প্রতি একটি জটিল মামলার নিষ্পত্তি করেছেন এবং প্রকৃত দোষী ব্যক্তির সাজা প্রদান করেছেন। বিচারক বা বিচারিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনিই মামলার নিষ্পত্তি ও রায় ঘোষণা করেছেন। এর দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে তিনি সরকারের বিচার বিভাগে কর্মরত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শেষাংশে উল্লিখিত বিভাগটি হলো সরকারের 'বিচার বিভাগ'। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা যেতে পারে:

    ১. বিচারক নিয়োগের নিরপেক্ষ নীতিমালা: বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা পরিহার করে সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালার ভিত্তিতে কেবল যোগ্যতা, সততা ও মেধার মূল্যায়ন করতে হবে।
    ২. চাকরির সুনির্দিষ্ট মেয়াদ ও নিরাপত্তা: বিচারকদের কাজের মেয়াদ সংবিধানে সুরক্ষিত থাকতে হবে। যাতে কোনো প্রকার অযৌক্তিক রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে বা ভয়ভীতির কারণে বিচারকদের বরখাস্ত না করা যায়।
    ৩. উপযুক্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: বিচারকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী এবং সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন রাখতে আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা প্রদান করতে হবে, যাতে আর্থিক প্রলোভন তাদের প্রভাবিত করতে না পারে।
    ৪. শাসন বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ: বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে শাসন বিভাগের প্রশাসনিক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ থেকে পৃথক ও মুক্ত রাখতে হবে।
    ৫. পদোন্নতি ও বদলির নিরপেক্ষতা: বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি এবং নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্ট বা স্বাধীন জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে থাকতে হবে।

    আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য, এবং উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন