ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯

ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র প্রশ্ন

আদিবা কোং লি. একটি বৃহদায়ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি সম্প্রীতি ব্যবসায়ী সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য অতিরিক্ত মূলধন আহরণের প্রয়োজন। কিন্তু কোম্পানিটি তালিকাভুক্ত না হওয়ায় কিছু সমস্যার মোকাবিলা করেছে।

  1. ক)

    BSEC - এর পূর্ণরূপ লেখ।

    (1)
  2. খ)

    আর্থিক বাজার বলতে তুমি কি বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    আদিবা কোন ধরনের কোম্পানি হওয়াই শেয়ার ইস্যু করতে পারছে না? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আদিবা কোং বর্তমানে কিভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করতে পারে? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    BSEC-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Securities and Exchange Commission (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে বাজারে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সম্পদ বা দলিল (যেমন— মুদ্রা, শেয়ার, বন্ড, ঋণপত্র, ট্রেজারি বিল ইত্যাদি) ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, তাকে আর্থিক বাজার বলে।
    আর্থিক বাজার মূলত তহবিল সরবরাহকারী এবং তহবিল ঘাটতি পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে এবং মেয়াদের ভিত্তিতে এটি মুদ্রা বাজার ও মূলধন বাজারে বিভক্ত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আদিবা কোং লি. স্টক এক্সচেঞ্জে অতালিকাভুক্ত (অথবা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি সমরূপ) হওয়ায় সরাসরি জনসাধারণের কাছে শেয়ার ইস্যু করতে পারছে না।

    একটি কোম্পানি জনসাধারণের কাছে শেয়ার বিক্রয় করে মূলধন সংগ্রহের জন্য পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের পর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে হয়। অতালিকাভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আইপিও (IPO) বা সরাসরি শেয়ার ছাড়তে পারে না। উদ্দীপকে আদিবা কোং লি. তালিকাভুক্ত না হওয়ার কারণে সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বা ঋণপত্র ইস্যু করে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আদিবা কোং লি. বর্তমানে তাদের মূলধন ঘাটতির সমস্যা সমাধানের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারে:

    ১. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর ও তালিকাভুক্তি: কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই বা সিএসই) তালিকাভুক্তির আবেদন করে BSEC-এর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা IPO-র মাধ্যমে সাধারণ জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রয় করে প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদি মূলধন সংগ্রহ করতে পারে।

    ২. রাইট শেয়ার বা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট: বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছে রাইট শেয়ার ইস্যু করে কিংবা অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করে মূলধন আহরণ করতে পারে।

    ৩. প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ গ্রহণ: বাণিজ্যিক ব্যাংক বা অন্যান্য বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মেয়াদি ঋণ গ্রহণ করে ব্যবসা সম্প্রসারণের তাৎক্ষণিক অর্থসংস্থান করতে পারে।

    ৪. বন্ড বা ঋণপত্র ইস্যু: প্রাইভেটলি প্লেসড বন্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণপত্র বিক্রির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব।

    পরিশেষে বলা যায়, স্থায়ী সমাধান হিসেবে কোম্পানিটির অবিলম্বে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া উচিত এবং অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ব্যাংক ঋণ বা প্রাতিষ্ঠানিক প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন