সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল বোর্ড ২০২৫
সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় কখন?
- খ)(2)
স্বনির্ভর আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উপরের ছকে '?' চিহ্নিত স্থান তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন প্রত্যয়কে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত প্রত্যয়টির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্বনির্ভর আন্দোলন বলতে স্থানীয় সম্পদ ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচিকে বোঝায়।
১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে এই আন্দোলনের সূচনা ঘটে। এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামের মানুষকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে নিজের পায়ে দাঁড় করানো, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সমবায়ের মাধ্যমে সামগ্রিক গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উপরের ছকে '?' চিহ্নিত স্থানটি আমার পাঠ্যবইয়ের 'ক্ষুদ্রঋণ' (বা 'এনজিও / বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা') প্রত্যয়টিকে ইঙ্গিত করে।
ব্যাখ্যা: উদ্দীপকের ছকে তিনটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান—'গ্রামীণ ব্যাংক', 'ব্র্যাক' ও 'আশা'-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে কোনো প্রকার জামানত ছাড়াই আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য যে স্বল্পপরিমাণ ঋণ প্রদান করা হয়, তাকে ক্ষুদ্রঋণ বলে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে এই ধারণাকে জনপ্রিয় করেন এবং পরবর্তীকালে ব্র্যাক ও আশাসহ অন্যান্য সংস্থা এই মডেলকে ব্যাপকভাবে বিস্তার করে। সুতরাং, ছকের '?' চিহ্নিত স্থানে ক্ষুদ্রঋণ (বা এনজিও কার্যক্রম) প্রত্যয়টি প্রযোজ্য।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রত্যয়টি হলো 'ক্ষুদ্রঋণ' (বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ভূমিকা), যা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নিচে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:
১. দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি: ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষ সহজে পুঁজি পায়। ফলে তারা হাঁস-মুরগি পালন, কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রভৃতি আয়বর্ধক কাজে নিয়োজিত হয়ে নিজেদের দারিদ্র্য দূর করতে সক্ষম হয়।
২. নারীর ক্ষমতায়ন: বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ও আশার ঋণের সিংহভাগ গ্রহীতাই নারী। এর ফলে পরিবার ও সমাজে নারীদের আর্থিক স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সার্বিক নারীর ক্ষমতায়নে বড় ভূমিকা রেখেছে।
৩. শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: এসব সংস্থা কেবল ঋণ দেয় না, বরং প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সামাজিক অধিকার সম্পর্কে ঋণগ্রহীতাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
৪. জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন: নিয়মিত আয় নিশ্চিত হওয়ার ফলে গ্রামীণ মানুষের পুষ্টি, স্যানিটেশন, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং বাসস্থানের মানে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
পরিশেষে বলা যায়, ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও