ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২১
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. সাইফুর রহমান তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ফলে কাজের পরিবেশ উন্নত হয়েছে। কিন্তু সুষ্ঠু তদারকির অভাবে বিভিন্ন বিভাগের কাজের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থা মোকাবিলায় তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন।
- ক)(1)
ব্যবস্থাপনা চক্র কী?
- খ)(2)
ব্যবস্থাপনাকে সর্বজনীন বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. সাইফুর রহমান কর্মীদের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার সাথে ব্যবস্থাপনার কোন কাজের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
ব্যবস্থাপনার কোন স্তরের কাজের গাফিলতির কারণে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হয়েছে- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি (যেমন: পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ) চক্রাকারে ধারাবাহিকভাবে আবর্তিত হওয়াকে ব্যবস্থাপনা চক্র বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনাকে সর্বজনীন বলা হয় কারণ পরিবার, সমাজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট-বড় সকল ধরনের ব্যবসায় ও রাষ্ট্রীয় সংগঠনে লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপনার নীতি ও কার্যক্রম সমভাবে প্রযোজ্য এবং অপরিহার্য। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসও বলেছিলেন—"ব্যবস্থাপনা সর্বজনীন"। যে কোনো সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, সংগঠন, নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের মতো ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের প্রয়োজন হয় বলেই এটি সর্বজনীন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. সাইফুর রহমান কর্তৃক কর্মীদের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার সাথে ব্যবস্থাপনার 'প্রেষণা' (Motivation) কাজের মিল পাওয়া যায়।
প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজে উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত ও দায়িত্বশীল করার সার্বিক প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে। প্রেষণার মাধ্যমে কর্মীদের কার্যসন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায় এবং কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. সাইফুর রহমান তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছেন, যার ইতিবাচক ফল হিসেবে কাজের পরিবেশ উন্নত হয়েছে। আর্থিক ও অনার্থিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কর্মীদের উৎসাহিত করে কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা ব্যবস্থাপনার প্রেষণাদানের সাথে সরাসরি সংগতিপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনার নিম্নস্তরের বা প্রথম সারির (First-line) ব্যবস্থাপকদের কাজের গাফিলতির কারণে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হয়েছে।
ব্যবস্থাপনার যে স্তরে মাঠপর্যায়ে বা কারখানায় কর্মীদের কাজ সরাসরি তদারকি ও পর্যবেক্ষণ করা হয়, তাকে নিম্নস্তর বলা হয়। ফোরম্যান, সুপারভাইজার বা মাঠপর্যায়ের তদারককারীরা এই স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তাদের মূল কাজ হলো কর্মীদের কাজ প্রত্যক্ষভাবে তদারকি করা, কাজের ভুলত্রুটি সংশোধন করা এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকে মি. সাইফুর রহমান কর্মীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন এবং কাজের পরিবেশও উন্নত করেছেন। কিন্তু সুষ্ঠু তদারকির অভাবে বিভিন্ন বিভাগের কাজের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। সরাসরি তদারকির দায়িত্ব থাকে নিম্নস্তরের ব্যবস্থাপকদের ওপর। এই স্তরের তদারককারীদের অবহেলা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাবেই কর্মীরা যথাযথভাবে কাজ করছে না এবং লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, সুষ্ঠু তদারকির অভাব নির্দেশ করে যে নিম্নস্তরের ব্যবস্থাপনার কাজের গাফিলতিই মূলত এর জন্য দায়ী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও