পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬
পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি, বেসরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছে। একজন পরিসংখ্যানবিদ বললেন যে, সংগৃহীত তথ্য যথাযথ হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- ক)(1)
সরকারি পরিসংখ্যান কাকে বলে?
- খ)(2)
"সঠিক তথ্যের অভাবই বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বড় অন্তরায়"—ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দোষত্রুটি বর্ণনা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে তোমার মত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সরকারি সংস্থা কর্তৃক জাতীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে সংগৃহীত, প্রক্রিয়াজাত ও প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সঠিক তথ্যের অভাব থাকলে যেকোনো পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ভুল পথে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে তথ্য সংগ্রহে দক্ষ কর্মীর অভাব, মাঠপর্যায়ে উত্তরদাতার অনীহা বা অসচেতনতা এবং সঠিক পদ্ধতির ঘাটতির কারণে প্রাপ্ত তথ্যে ভুল থাকে। ফলে সামগ্রিক পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা কমে যায়, যা দেশের পরিকল্পনা গ্রহণে অন্যতম প্রধান অন্তরায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের প্রধান দোষত্রুটিগুলো নিম্নরূপ:
১. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব: তথ্য সংগ্রহে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি ও উত্তরদাতাদের অসচেতনতার কারণে তথ্যের নির্ভুলতা বজায় থাকে না।
২. দক্ষ কর্মীর অভাব: তথ্য সংগ্রহ, সংকলন ও বিশ্লেষণের জন্য প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে।
৩. সমন্বয়ের অভাব: বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্যের উপস্থিতি দেখা যায়।
৪. সময়ের ব্যবধান বা দীর্ঘসূত্রতা: তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের মধ্যে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় তা সাম্প্রতিক বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে পারে না।
৫. আধুনিক প্রযুক্তির অপ্রতুল ব্যবহার: উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে আধুনিক প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার তথ্যের গুণগত মান ব্যাহত করে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধিতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক:
১. দক্ষ জনবল তৈরি: মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও বিশ্লেষকদের প্রয়োজনীয় আধুনিক পরিসংখ্যানিক প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।
২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ডিজিটাল পদ্ধতি ও সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করা।
৩. আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং অন্যান্য গবেষণা সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলে দ্বৈততা পরিহার করা।
৪. জনসচেতনতা বৃদ্ধি: তথ্যের সঠিকতা ও তাৎপর্য সম্পর্কে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা, যেন তারা নির্ভুল উত্তর প্রদানে আগ্রহী হন।
৫. তথ্যের নিরপেক্ষতা ও সময়ানুবর্তিতা: তথ্যের রাজনৈতিক বা বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করা।
এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান আন্তর্জাতিক মানের এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপযোগী হয়ে উঠবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও