বাংলা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
4.1.
বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কী কী গুণ থাকা আবশ্যক? উদাহরণসহ লেখো।
4.2.
বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যের বাক্যান্তর করো:i. সে আর ভিক্ষা করে না। (প্রশ্নবোধক)ii. বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ নয়? (অস্তিবাচক)iii. তোমার এরূপ ব্যবহার অনুচিত। (নেতিবাচক)iv. তারা কি যাবে কোথাও? (অস্তিবাচক)v. লোকটির সবই আছে, কিন্তু সুখী নয়। (জটিল বাক্য)vi. আমার এমন কিছু নেই, যা তোমাকে দিতে পারি। (সরল)vii. সূর্যোদয়ে পদ্মফুল ফোটে। (জটিল বাক্য)viii. যিনি জ্ঞানী, তিনিই সত্যিকার ধনী (সরল বাক্য)
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
৪.১.
বাক্যের সংজ্ঞা:
যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে। যেমন: 'শিমুল নিয়মিত পড়াশোনা করে।'
একটি সার্থক বাক্যের গুণাবলি:
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক:
১. আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে স্বাভাবিক ইচ্ছা বা আগ্রহ, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। যেমন: 'আমি সকালে উঠে...' বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ হয় না এবং শোনার আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়। কিন্তু 'আমি সকালে উঠে পড়তে বসি' বললে আকাঙ্ক্ষা নিবৃত্ত হয় এবং বাক্যটি সার্থক হয়।
২. আসক্তি (বা নৈকট্য): বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য পদগুলোকে যথাযথ স্থানে বা ক্রমানুসারে সাজিয়ে রাখার নাম আসক্তি। সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস না থাকলে বাক্য অর্থহীন হয়ে পড়ে। যেমন: 'মাছ জলে নদীতে ধরেন জেলেরা' বললে আসত্তির অভাব ঘটে। সঠিক রূপ: 'জেলেরা নদীতে মাছ ধরেন।'
৩. যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধন বা সংগতি সাধনের নাম যোগ্যতা। যেমন: 'বর্ষাকালে রৌদ্রের তাপে বন্যায় প্লাবিত হয়' বললে ভাবগত মিল থাকে না। কিন্তু 'বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে বন্যা হয়' বললে বাক্যের যোগ্যতা রক্ষা পায়।
৪.২. বাক্যান্তর (সবকটি সমাধান):
i. সে কি আর ভিক্ষা করে? / সে কি এখনো ভিক্ষা করে?
ii. বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
iii. তোমার এরূপ ব্যবহার সংগত/উচিত নয়।
iv. তারা কোথাও যাবে।
v. যদিও লোকটির সবই আছে, তবুও তিনি সুখী নন।
vi. তোমাকে দেওয়ার মতো আমার কিছু নেই।
vii. যখন সূর্যোদয় হয়, তখন পদ্মফুল ফোটে।
viii. জ্ঞানী ব্যক্তিই সত্যিকার ধনী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও