গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

মিতু ক্লাসে খুব চুপচাপ থাকে। তাকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হলে, সে ভালোভাবে শুনতে পায় না। বেশিরভাগ সময় সে ইশারা ইঙ্গিত এর মাধ্যমে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। অপরদিকে রাতুল কারো সাথে কথা বলে না, কেউ ডাকলেও সাড়া দেয় না। যে কোনো একটি খেলা বারবার খেলতে থাকে। রাতুলের মা তার ছেলের পড়াশোনার ব্যাপারে বেশ উদ্বিগ্ন।

  1. ক)

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বলতে কী বোঝায়?

    (1)
  2. খ)

    “শালদুধ শিশুর জীবনের প্রথম টিকা”-বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মিতুর মধ্যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধিতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “রাতুলের মতো শিশুর ক্ষেত্রে দরকার তাদের উপযোগী শিক্ষাদান পদ্ধতি ও যত্ন”- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব শিশুর শারীরিক, মানসিক, ইন্দ্রিয়গত বা সামাজিক বিকাশ সাধারণ শিশুদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন এবং যাদের বিশেষ যত্ন ও শিক্ষার প্রয়োজন হয়, তাদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সন্তান প্রসবের পর মায়ের স্তন থেকে নিঃসৃত প্রথম ঘন, আঠালো ও হালকা হলুদ রঙের দুধকে শালদুধ বলে। শালদুধে প্রচুর পরিমাণে রোগপ্রতিরোধক উপাদান (অ্যান্টিবডি), ভিটামিন ‘এ’ ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে, যা নবজাতকের শরীরে প্রথম প্রাকৃতিক অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এজন্য শালদুধকে শিশুর জীবনের প্রথম টিকা বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মিতুর মধ্যে শ্রবণ ও বাক-প্রতিবন্ধিতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে।

    যেসব শিশু কানে ভালোভাবে শুনতে পায় না বা আদৌ শুনতে পায় না, তারা শ্রবণ প্রতিবন্ধী। শ্রবণ ক্ষমতার ত্রুটির কারণে অনেক সময় তাদের স্বাভাবিক বাচনভঙ্গির বিকাশ ব্যাহত হয়, ফলে তারা কথা না বলে ইশারা-ইঙ্গিতে মনের ভাব প্রকাশের চেষ্টা করে। উদ্দীপকে মিতু ক্লাসে চুপচাপ থাকে, কোনো প্রশ্ন করলে তা ভালো করে শুনতে পায় না এবং বেশিরভাগ সময় ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। এই আচরণগুলো স্পষ্টতই তার শ্রবণপ্রতিবন্ধিতার প্রকাশ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে রাতুলের মধ্যে অটিজম বা আত্মলীনতার লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। এ ধরনের শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষাদান পদ্ধতির চেয়ে তাদের উপযোগী বিশেষ শিক্ষা ও যত্ন অপরিহার্য।

    রাতুলের আচরণে দেখা যায় সে কারো সাথে কথা বলে না, ডাকলেও সাড়া দেয় না এবং একই খেলা বারবার খেলতে থাকে—যা অটিজমে আক্রান্ত শিশুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এরা সামাজিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় অক্ষম হয়। সাধারণ পাঠদান পদ্ধতিতে এই শিশুদের মেধা বা মনোযোগ বিকাশ করা সম্ভব নয়।

    তাদের জন্য প্রয়োজন দৃশ্যমান সহায়িকা (যেমন ছবি, চার্ট), বিশেষায়িত কারিকুলাম, পুনরাবৃত্তিমূলক ও ধাপে ধাপে নির্দেশনা এবং সংবেদনশীল পরিবেশ। একই সাথে পরিবার ও শিক্ষকদের সহানুভূতিশীল আচরণ এবং থেরাপিউটিক যত্ন তাদের আত্মনির্ভরশীল করতে সাহায্য করে। সুতরাং, রাতুলের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনের জন্য তার উপযোগী বিশেষ শিক্ষা ও যত্ন প্রদান করা একান্ত আবশ্যক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন