ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • যৌথমূলধনী ব্যবসায় • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ন্যূনতম মূলধন কী?

    (1)
  2. খ)

    সাংস্কৃতিক পরিবেশ বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের চিত্রটি কোন ব্যবসায় সংগঠনের গঠন পদ্ধতি? ব্যাখ্যা করো

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ৩নং ধাপটি সম্পন্ন করে যে কোম্পানি ব্যবসায় শুরু করতে পারে- সেক্ষেত্রে যে সকল আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হবে তার যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোম্পানি আইন অনুযায়ী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কাজ শুরু করার পূর্বে স্মারকলিপিতে উল্লিখিত যে পরিমাণ ন্যূনতম অর্থ সংগ্রহ করা আইনত বাধ্যতামূলক, তাকে ন্যূনতম মূলধন (Minimum Subscription) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো সমাজের মানুষের মূল্যবোধ, বিশ্বাস, আচার-আচরণ, ঐতিহ্য, দৃষ্টিভঙ্গি, শিক্ষাদীক্ষা ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে এবং যা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলে, তাকে সাংস্কৃতিক পরিবেশ বলে।

    মানুষের খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ নির্ধারিত হয়। তাই যেকোনো ব্যবসায় পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজের সাংস্কৃতিক উপাদানের গতিপ্রকৃতি বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি (বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) সংগঠনের গঠন পদ্ধতির চিত্র।

    আইনগত সত্তাবিশিষ্ট যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন একটি দীর্ঘ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের আওতায় একটি কোম্পানি গঠন করতে মূলত চারটি পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। এগুলো হলো—
    ১. উদ্যোগ গ্রহণ পর্যায়: যেখানে উদ্যোক্তারা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করেন।
    ২. দলিলপত্র প্রণয়ন পর্যায়: এ পর্যায়ে কোম্পানির প্রধান দলিল স্মারকলিপি (Memorandum of Association) এবং পরিমেল নিয়মাবলি (Articles of Association) প্রণয়ন করা হয়।
    ৩. নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ পর্যায়: প্রয়োজনীয় ফি ও দলিল নিবন্ধকের কার্যালয়ে জমা দিয়ে কোম্পানি নিবন্ধনের সনদ বা সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন সংগ্রহ করা হয়।
    ৪. কার্যারম্ভ পর্যায়: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে ব্যবসায় শুরু করার জন্য বিবরণপত্র বা বিকল্প বিবৃতি জমা দিয়ে অতিরিক্ত 'কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র' (Certificate of Commencement of Business) সংগ্রহ করতে হয়।

    উদ্দীপকের চিত্রে এই চারটি ধারাবাহিক ধাপই দেখানো হয়েছে, যা নিশ্চিত করে এটি একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি সংগঠনের গঠন পদ্ধতি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ৩নং ধাপটি (নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ) সম্পন্ন করেই ব্যবসায় শুরু করতে পারে ‘প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি’। এ ধরনের কোম্পানি গঠনে যে সকল আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয়, তা প্রাইভেট কোম্পানির সীমিত পরিসর ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের আলোকে সম্পূর্ণ যথার্থ।

    প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধকের নিকট থেকে নিবন্ধনপত্র পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যবসা আরম্ভ করতে পারে; এর জন্য ৪নং ধাপ অর্থাৎ ‘কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র’ সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না। তবে ৩নং ধাপ সম্পন্ন করে ব্যবসায় শুরু করতে হলে কোম্পানিকে নিম্নোক্ত আনুষ্ঠানিকতাগুলো পালন করতে হয়:
    ১. ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা: সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জন সদস্য বা প্রবর্তক একত্রিত হয়ে ব্যবসায় গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেন।
    ২. নামের ছাড়পত্র সংগ্রহ: কোম্পানির একটি স্বতন্ত্র ও উপযুক্ত নাম নির্বাচন করে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) থেকে নামের অনুমোদন নেওয়া হয়।
    ৩. দলিলপত্র প্রস্তুত ও দাখিল: কোম্পানির মূল সংবিধান বা স্মারকলিপি এবং অভ্যন্তরীণ পরিচালনা সংক্রান্ত পরিমেল নিয়মাবলি প্রস্তুত করা হয়।
    ৪. নির্দিষ্ট ফি ও ঘোষণাপত্র প্রদান: প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন ফিসহ আইনজীবীর বা পরিচালকদের দ্বারা আইনানুগভাবে গঠিত হয়েছে মর্মে ঘোষণাপত্র নিবন্ধকের নিকট জমা দিতে হয়।

    মূল্যায়ন:
    প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে শেয়ার বা ঋণপত্র ছেড়ে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি থাকে না। সদস্যদের নিজস্ব বা পারস্পরিক মূলধনে ব্যবসায় চলে। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ঝুঁকি এখানে থাকে না। এ কারণে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মতো ন্যূনতম মূলধন সংগ্রহ, বিবরণপত্র প্রকাশ বা কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহের মতো জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি আনুষ্ঠানিকতা থেকে প্রাইভেট কোম্পানিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, নিবন্ধনপত্র গ্রহণের মাধ্যমেই এদের ব্যবসায় পরিচালনার সুযোগ দেওয়া আইনি ও যৌক্তিক উভয় দিক থেকেই যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন