উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
বহিঃবিজ্ঞাপন কি?
- খ)(2)
পন্যের আকর্ষণীয় মোড়ক কেন প্রয়োজন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত প্রতিটি পণ্যের জীবন চক্রের কোন স্তরে অবস্থান করছেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির করণীয় সম্পর্কে তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ঘরের বাইরে পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে পোস্টার, বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড বা নিয়ন সাইনের মাধ্যমে যে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়, তাকে বহিঃবিজ্ঞাপন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য পণ্যের আকর্ষণীয় মোড়ক প্রয়োজন।
মোড়কীকরণের মাধ্যমে পণ্য ধুলাবালি, আর্দ্রতা বা ভাঙন থেকে সুরক্ষিত থাকে। তবে আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন মোড়ক ক্রেতার মনোযোগ আকর্ষণ করে, পণ্যের স্বাতন্ত্র্য বা পরিচিতি বাড়ায় এবং ক্রেতার মনে পণ্য সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে ক্রয় সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। তাই আধুনিক বিপণনে আকর্ষণীয় মোড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পণ্যটি পণ্যের জীবনচক্রের (Product Life Cycle) 'প্রবৃদ্ধি স্তর' (Growth Stage)-এ অবস্থান করছে।
একটি পণ্যের জীবনচক্রের যে স্তরে বিক্রয় ও মুনাফা উভয়ই দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাকে প্রবৃদ্ধি স্তর বলে। এ স্তরে বাজারে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায় এবং নতুন নতুন ক্রেতা তৈরি হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ২০১০ সালের সূচনা স্তরের পর ২০১১ থেকে ২০১৪ সময়কালে বিক্রয় রেখা দ্রুত ঊর্ধ্বগামী হয়েছে এবং মুনাফাও ঋণাত্মক অবস্থা কাটিয়ে দ্রুত ধনাত্মক হয়ে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবৃদ্ধি স্তরের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো দ্রুত বিক্রয় বৃদ্ধি ও মুনাফার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। সুতরাং, ২০১১-২০১৪ সময়কালে পণ্যটি জীবনচক্রের প্রবৃদ্ধি স্তরে অবস্থান করছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়টি হলো পণ্যের জীবনচক্রের 'পূর্ণতা স্তর' (Maturity Stage)। এ স্তরে প্রতিষ্ঠানটির করণীয় কৌশলগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
পূর্ণতা স্তরে পণ্যের বিক্রয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, তবে প্রবৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এবং তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে মুনাফা কিছুটা কমতে থাকে। এ স্তরে টিকে থাকার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যকর কিছু বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে:
১. বাজার সংশোধন বা রূপান্তর: প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধান করতে হবে, পণ্য ব্যবহার করে না এমন সম্ভাব্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হবে এবং বিদ্যমান ক্রেতাদের ব্যবহারের পরিমাণ ও পৌনঃপুনিকতা বৃদ্ধির চেষ্টা করতে হবে।
২. পণ্য সংশোধন বা উন্নয়ন: পণ্যের গুণগত মান, বৈশিষ্ট্য, ডিজাইন, মোড়ক ইত্যাদিতে পরিবর্তন এনে ক্রেতাদের কাছে পণ্যটির নতুন আবেদন তৈরি করতে হবে।
৩. বিপণন মিশ্রণ সংশোধন: তীব্র প্রতিযোগিতায় বাজার অংশ ধরে রাখতে মূল্য যৌক্তিকীকরণ বা হ্রাস, আকর্ষণীয় বিক্রয় প্রসারমূলক সুবিধা (যেমন: ছাড়, উপহার), বণ্টন প্রণালির সম্প্রসারণ ও জোরদার প্রচারণা চালাতে হবে।
৪. উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় হ্রাস: মুনাফার মার্জিন বজায় রাখতে উৎপাদন খরচ ও অপচয় কমিয়ে আনতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, পূর্ণতা স্তরে বাজারে টিকে থেকে পতন স্তরকে বিলম্বিত করতে প্রতিষ্ঠানটির উচিত পণ্য উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং আক্রমণাত্মক প্রচারণামূলক বিপণন কৌশল অবলম্বন করা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও