ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. জহির সপরিবারে কক্সবাজার বেড়াতে যান। সঙ্গে অল্প কিছু নগদ টাকা ছাড়াও এক ধরনের একটি প্লাস্টিকের কার্ড নিয়ে যান। যা দিয়ে তিনি সেখানে গিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উঠানো ছাড়াও হোটেল বিল, খাবার বিল, এমনকি কেনাকাটার বিলও পরিশোধ করেন।
- ক)(1)
সংরক্ষিত মুনাফা কী?
- খ)(2)
অব্যক্তিক জামানত বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
মি. জহির যে প্লাস্টিকের কার্ড নিয়ে যান তার নাম কী? এ কার্ড সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।
- ঘ)(4)
উল্লিখিত প্লাস্টিকের কার্ডটির সুবিধা-অসুবিধা আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায় অর্জিত মোট মুনাফার যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করে ভবিষ্যতে পুনঃবিনিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে সংরক্ষিত মুনাফা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যাংক ঋণ মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে যখন কোনো ব্যক্তিক নিশ্চয়তা ছাড়া কেবল কোনো বস্তুগত সম্পত্তি বা মূল্যবান দলিলপত্র জামানত হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তখন তাকে অব্যক্তিক জামানত বলে।
এ ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক উক্ত জামানতি সম্পত্তি (যেমন: জমি, বাড়ি, শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি) বিক্রি করে ঋণের পাওনা আদায় করার আইনি অধিকার লাভ করে। এটি ব্যাংকের ঋণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মি. জহির যে প্লাস্টিকের কার্ডটি নিয়ে গিয়েছিলেন, সেটি মূলত একটি পেমেন্ট কার্ড—সুনির্দিষ্টভাবে এটি ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড।
সংক্ষিপ্ত টীকা:
প্লাস্টিক কার্ড হলো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহকের অনুকূলে ইস্যুকৃত চৌম্বকীয় ফিতা বা মাইক্রোচিপযুক্ত বিশেষ কার্ড, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করা যায়। এর মধ্যে প্রধান দুটি রূপ হলো ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড। ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকে রক্ষিত নিজস্ব আমানতের টাকা ব্যবহার করে এটিএম বুথ থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন এবং পয়েন্ট অব সেলস (POS) টার্মিনালের মাধ্যমে কেনাকাটা ও বিভিন্ন সেবামূল্য পরিশোধ করতে পারেন। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকের নির্ধারিত ঋণসীমা পর্যন্ত অর্থ ধার করে কেনাকাটা ও বিল পরিশোধের সুবিধা পেয়ে থাকেন। এটি আধুনিক ক্যাশলেস লেনদেনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্লাস্টিকের কার্ডটির (ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড) সুবিধা ও অসুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো:
সুবিধাসমূহ:
১. নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি হ্রাস: ভ্রমণের সময় সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা বহনের প্রয়োজন হয় না, ফলে চুরি বা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি কমে।
২. সহজ লেনদেন: দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় এটিএম বুথ থেকে নগদ টাকা উত্তোলন এবং কেনাকাটা বা হোটেল বিল পিওএস মেশিনের মাধ্যমে সহজে পরিশোধ করা যায়।
৩. বহুমুখী ব্যবহার: কেনাকাটা, হোটেল বুকিং, টিকেট কাটা ও বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটি বিল অনায়াসে পরিশোধ করা সম্ভব।
৪. জরুরি তহবিলের ব্যবস্থা: ক্রেডিট কার্ড হলে তাৎক্ষণিক নগদ অর্থ না থাকলেও ব্যাংকের ঋণ সুবিধার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় খরচ মেটানো যায়।অসুবিধাসমূহ:
১. জালিয়াতি ও সাইবার ঝুঁকি: কার্ডের পিন (PIN), সিভিভি বা পাসওয়ার্ড চুরি হলে জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
২. মাত্রাতিরিক্ত খরচের প্রবণতা: পকেটে নগদ টাকা না থাকার কারণে মানসিক বাধা কমে যায়, ফলে অনেকেই অতিরিক্ত খরচ করে ফেলেন।
৩. বিভিন্ন চার্জ ও ফি: কার্ড ব্যবহারের জন্য বার্ষিক ফি, নবায়ন ফি এবং ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে উচ্চ হারে সুদ ও জরিমানা দিতে হয়।
৪. প্রযুক্তিগত ও নেটওয়ার্ক সমস্যা: নেটওয়ার্কের ত্রুটি বা মেশিনের কারিগরি গোলযোগের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে সেবা প্রাপ্তিতে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও