বাংলা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
7.1.
তোমার কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো।
7.2.
অথবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ এবং এর প্রতিকার সম্বন্ধে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
৭.১. নবীনবরণ অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বর্ণনা:
কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের একটি দিন
কলেজ জীবনের শুরুতেই যে দিনটি স্মৃতির পাতায় বিশেষভাবে দাগ কেটে যায়, তা হলো নবীনবরণ অনুষ্ঠান। গত ১৫ জুলাই আমাদের কলেজে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়।
সেদিন সকাল থেকেই পুরো ক্যাম্পাস সেজেছিল নতুন সাজে। ব্যানার, ফেস্টুন আর রঙিন পতাকায় চারপাশ ছিল মুখরিত। সকাল দশটায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় এবং অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।
আমাদের ফুল ও কলম দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কলেজের নিয়মকানুন ও ঐতিহ্য সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। জ্যেষ্ঠ ভাইবোনেরা তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক ভালোবাসা দিয়ে আমাদের বরণ করে নেন। অধ্যক্ষ মহোদয়ের মূল্যবান উপদেশ আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলার পাথেয় হয়ে রইল।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আয়োজিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় নাচ, গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ অনুষ্ঠানটিকে আনন্দঘন করে তোলে। দিনটি সত্যিই আমার কলেজ জীবনের এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে স্মৃতির মণিকোঠায় অক্ষুণ্ণ থাকবে।
অথবা,
৭.২. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ এবং প্রতিকার বিষয়ক প্রতিবেদন:
তারিখ: ১৮ অক্টোবর, ২০২৪
বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক বাংলাদেশ সংবাদ,
ঢাকা।
বিষয়: নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিকে প্রকাশের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও প্রতিকার সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি নিম্নে পেশ করছি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: জনজীবনে দুর্ভোগ ও উত্তরণের উপায়
বর্তমান সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের আকাশচুম্বী ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। চাল, ডাল, তেল, চিনি, শাকসবজি থেকে শুরু করে প্রতিটি পণ্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর নাভিশ্বাস উঠেছে।
কারণসমূহ:
১. সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা: কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে পণ্যের দাম বাড়ানো হয়।
২. পরিবহন ও চাঁদাবাজি: পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ এবং পথে পথে অবৈধ চাঁদাবাজি পণ্যের খুচরা মূল্য বাড়িয়ে দেয়।
৩. বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা: আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামাল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশের বাজারে পড়ে।
৪. বাজার মনিটরিংয়ের দুর্বলতা: নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থার অভাবে মুনাফাখোররা সুযোগ পায়।
প্রতিকার ও সুপারিশসমূহ:
১. বাজার নিয়মিত মনিটরিং এবং মুনাফাখোর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২. পরিবহন খাতে সব ধরনের চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা।
৩. টিসিবি (TCB)-এর মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রির পরিধি শহর থেকে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত করা।
৪. অভ্যন্তরীণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস করা।
দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।
প্রতিবেদকের নাম: একজন সচেতন নাগরিক
স্থান: সিলেট।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও