পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে বলেন, একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ও মজবুত করার লক্ষ্যে জনগণের মধ্যে সহমর্মিতা, সহনশীলতা, আত্মসংযম ও শৃঙ্খলাবোধ থাকা প্রয়োজন। কেননা এগুলোর প্রভাবে রাষ্ট্রে ঐক্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ক)(1)
স্বচ্ছতা কাকে বলে?
- খ)(2)
নৈতিকতা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো কিছু গোপন না রেখে স্পষ্ট ও উন্মুক্ত রাখার নীতিকে স্বচ্ছতা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নৈতিকতা বলতে মানুষের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় ও উচিত-অনুচিতের অন্তর্নিহিত বোধ বা বিচারবুদ্ধিকে বোঝায়। এটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা বাধ্যবাধকতামূলক নয়, বরং ব্যক্তির বিবেকবোধ, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সমাজের প্রচলিত মূল্যবোধ থেকে উৎসারিত হয় এবং মানবীয় আচরণকে পরিচালিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো সুনাগরিকতা বা সুনাগরিকের গুণাবলি (যেমন- নাগরিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও আত্মসংযম)।
একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করতে নাগরিকদের সচেতন, পরমতসহিষ্ণু ও সুশৃঙ্খল হওয়া অপরিহার্য। সুনাগরিকের গুণাবলি যেমন পারস্পরিক সহমর্মিতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনের প্রতি আনুগত্য রাষ্ট্রে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করে।
উদ্দীপকে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে উল্লেখ করেছেন যে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে জনগণের মধ্যে সহমর্মিতা, সহনশীলতা, আত্মসংযম ও শৃঙ্খলাবোধ প্রয়োজন। এসব গুণাবলি নাগরিকদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে, যা তাদের পারস্পরিক মতভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে প্রেরণা জোগায়। সুতরাং, উদ্দীপকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সুনাগরিকতার গুণাবলির কথাই প্রকাশ পেয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে বর্ণিত সুনাগরিকের গুণাবলি ও মূল্যবোধের (সহমর্মিতা, সহনশীলতা, আত্মসংযম ও শৃঙ্খলাবোধ) প্রভাব অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি। যে রাষ্ট্রের নাগরিকরা আত্মসংযমী ও পরমতসহিষ্ণু, সেখানে রাজনৈতিক সহিংসতা ও নৈরাজ্য থাকে না। সহনশীলতা সমাজে ভিন্নমতকে ধারণ করার সুযোগ দেয়, যা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রাণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত গুণাবলি জনগণের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্যবোধ গড়ে তোলে এবং আইনের শাসনের ভিত্তি মজবুত করে। শৃঙ্খলাবোধের কারণে নাগরিকরা আইন মেনে চলে এবং অপরাধপ্রবণতা হ্রাস পায়। পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও আত্মসংযমের কারণে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হয় এবং শাসকগোষ্ঠী স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক আচরণ করতে বাধ্য হয়।
অতএব, জনগণের মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও সুনাগরিকতাই সুশাসন কায়েমের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলোর প্রভাব অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও