পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
রুবি একজন পোশাক কর্মী। রুবিসহ তার অন্যান্য সহকর্মীরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে মালিকপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের পুরুষ শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করলেও নারীদের বেতন বৃদ্ধি করেনি।
- ক)(1)
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয়?
- খ)(2)
"অধিকারের মধ্যে কর্তব্য নিহিত"- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত নারী শ্রমিকরা কোন ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রুবির প্রতি মালিকপক্ষের আচরণ সমাজ ও রাষ্ট্রে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অধিকার ও কর্তব্য পরস্পরের পরিপূরক ও অবিচ্ছেদ্য। একজনের অধিকার ভোগ অন্যজনের কর্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। যেমন— প্রত্যেকের জীবনের নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে, যার অর্থ অন্যদের কর্তব্য হলো কারো জীবনে আঘাত না করা। তাই অধিকার ভোগের মাধ্যমেই কর্তব্যের সৃষ্টি হয় এবং অধিকারের মাঝেই কর্তব্য নিহিত থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত নারী শ্রমিকরা মূলত অর্থনৈতিক অধিকার এবং সাম্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত।
অর্থনৈতিক অধিকার বলতে যোগ্যতা ও কাজ অনুযায়ী উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ভোগের সুযোগকে বোঝায়। এছাড়া আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান এবং লিঙ্গভেদে কোনো বৈষম্য না করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক নীতি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রুবি ও তার সহকর্মীরা দীর্ঘদিন বেতন বৃদ্ধির দাবি জানালেও মালিকপক্ষ কেবল পুরুষ শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করে এবং নারীদের বঞ্চিত করে। একই কাজ করা সত্ত্বেও নারী হওয়ায় তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি তাদের সমান কাজের জন্য সমান মজুরি পাওয়ার অর্থনৈতিক অধিকার এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যহীনতার অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রুবির প্রতি মালিকপক্ষের আচরণ সমাজ ও রাষ্ট্রে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
একটি সুষ্ঠু সমাজে নারী-পুরুষের সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সমকাজে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য তৈরি করলে সমাজে ক্ষোভ, বৈষম্য এবং শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে মালিকপক্ষের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ নারী শ্রমিকদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ সৃষ্টি করবে। এর ফলে কারখানায় কর্মবিরতি, ধর্মঘট বা আন্দোলনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা শিল্পোৎপাদনকে ব্যাহত করবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে। এছাড়া কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিরুৎসাহিত করায় নারীর ক্ষমতায়ন বাধাগ্রস্ত হবে এবং সংবিধানে বর্ণিত সাম্য ও ন্যায়বিচারের নীতি ভূলুণ্ঠিত হবে।
অতএব, মালিকপক্ষের এই বৈষম্যমূলক আচরণ সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও