যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

দুই বন্ধুর কথোপকথন:প্রথম বন্ধু: মানবজাতিকে বর্ণ বৈষম্য থেকে কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায় তার জন্য মার্টিন লুথার কিং মনে মনে গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতেন।দ্বিতীয় বন্ধু: অবশ্য পরবর্তীতে তিনি ওয়াশিংটনে এক ভাষণে তার মনের ভাবনাকে স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করেন।

  1. ক)

    গুণ অনুসারে যুক্তিবাক্য কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    সংযোজক সব সময় কেন বর্তমান কালসূচক হবে?

    (2)
  3. গ)

    প্রথম বন্ধুর মনে মনে চিন্তা যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটির ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করোl।

    (3)
  4. ঘ)

    প্রথম এবং দ্বিতীয় বন্ধুর বক্তব্যের তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গুণ অনুসারে যুক্তিবাক্য দুই প্রকার: সদর্থক যুক্তিবাক্য এবং নঞর্থক যুক্তিবাক্য।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যায় সংযোজক উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি নির্দেশ করে। উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার সম্পর্কটি অতীত বা ভবিষ্যতের ঘটনা নির্দেশ করলেও যুক্তিবাক্য গঠনের মুহূর্তে সেই সম্পর্কটির অস্তিত্ব কেবল বর্তমান কালেই নিশ্চিত করা হয়। তাই সংযোজক সবসময় 'হয়' বা 'নয়'—এই বর্তমান কালসূচক রূপেই ব্যবহৃত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রথম বন্ধুর মনে মনে চিন্তা যুক্তিবিদ্যার বিষয়বস্তু হিসেবে 'চিন্তন প্রক্রিয়া' বা মানসিক ধারণার দিকটিকে ইঙ্গিত করে।

    চিন্তা হলো একটি অভ্যন্তরীণ মানসিক প্রক্রিয়া। মানুষ যখন কোনো বিষয়ে চিন্তা করে, তখন তা প্রাথমিকভাবে মনের ভেতরে ধারণা, অবধারণ বা ভাবনারূপে বিদ্যমান থাকে। অবধারণ হলো দুটি ধারণাকে মনে মনে তুলনা করে তাদের মধ্যকার কোনো সম্পর্কের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি দেওয়া।

    উদ্দীপকে মার্টিন লুথার কিং মানবজাতিকে বর্ণবৈষম্য থেকে কীভাবে মুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে মনের ভেতরে গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। তাঁর এই চিন্তাটি তখনো ভাষায় প্রকাশিত হয়নি, বরং তা ছিল একটি অভ্যন্তরীণ অবধারণ বা মানসিক বিচারপ্রক্রিয়া। সুতরাং, এটি যুক্তিবিদ্যার অবধারণ বা প্রাথমিক মানসিক স্তরের দিকটিকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রথম এবং দ্বিতীয় বন্ধুর বক্তব্যের মাধ্যমে যথাক্রমে যুক্তিবিদ্যার 'অবধারণ' (Judgement) এবং 'যুক্তিবাক্য' (Proposition)-এর মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    প্রথম বন্ধুর বক্তব্যে অবধারণের দিকটি ফুটে উঠেছে। অবধারণ হলো মনের ভেতর দুটি ধারণার সম্পর্ক স্থাপন বা মানসিক বিচার। মার্টিন লুথার কিং যখন বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের বিষয়ে মনে মনে গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিলেন, তখন তা ছিল অবধারণ। অবধারণ হলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ও মানসিক প্রক্রিয়া, যা কেবল ব্যক্তির মনের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে এবং এর কোনো দৃশ্যমান বা ব্যাকরণগত প্রকাশ থাকে না।

    অপরদিকে, দ্বিতীয় বন্ধুর বক্তব্যে যুক্তিবাক্যের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। যখন কোনো অবধারণ ভাষায় ব্যক্ত হয়, তখন তাকে যুক্তিবাক্য বলে। মার্টিন লুথার কিং পরবর্তীতে তাঁর মনের ভাবনা স্পষ্ট ভাষায় ওয়াশিংটনের ভাষণে প্রকাশ করেছিলেন। অবধারণ ভাষায় প্রকাশিত হওয়ায় তা একটি যুক্তিবাক্য বা তর্কের রূপ ধারণ করে।

    তুলনামূলক দিক থেকে অবধারণ হলো মানসিক রূপ এবং যুক্তিবাক্য হলো তার প্রকাশ্য রূপ। অবধারণ ব্যক্তির নিজস্ব, কিন্তু যুক্তিবাক্য সর্বজনীন ও যাচাইযোগ্য। সুতরাং, প্রথম বন্ধুর বক্তব্য চিন্তার মানসিক দিক (অবধারণ) এবং দ্বিতীয় বন্ধুর বক্তব্য চিন্তার ভাষাগত দিক (যুক্তিবাক্য)-কে নির্দেশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন