‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বাংলাদেশের আইন সভার নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    উদারতাকে নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    ছকটিতে চিত্র কোন বিষয়টির রূপরেখা ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    গণতন্ত্র সুদৃঢ়করণে চিত্র-২, এ (?) চিহ্নিত বিষয়টি অদ্বিতীয়। তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ' (House of the Nation)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদারতা নেতৃত্বের একটি অন্যতম প্রধান গুণ, কারণ একজন উদার দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন নেতা সংকীর্ণতা ও পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে উঠে সবার মতামতকে সম্মান জানাতে পারেন।

    উদার মনোভাবের নেতা অনুসারীদের ভুলত্রুটি সহজে ক্ষমা করেন, তাদের যুক্তিযুক্ত সমালোচনাকে স্বাগত জানান এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দেন। এর ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নেতার প্রতি আস্থা, ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে ওঠে। তাই নেতৃত্বকে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর করতে উদারতা অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছকটির চিত্র-১-এ রাজনৈতিক দলের কার্যাবলির রূপরেখা ফুটে উঠেছে।

    গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চিত্র-১-এ উল্লিখিত নেতৃত্ব তৈরি, জনমত গঠন, গঠনমূলক বিরোধিতা এবং সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা—এগুলো মূলত একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান কার্যাবলি ও দায়িত্ব।

    রাজনৈতিক দল তৃণমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্ব চিহ্নিত করে প্রশিক্ষণ দিয়ে জাতীয় নেতৃত্বে রূপ দেয়। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচারণার মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতন করে অনুকূল জনমত গড়ে তোলে। নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে অবস্থান নিলে সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে গঠনমূলক বিরোধিতার মাধ্যমে সরকারকে সংযত রাখে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলে। সুতরাং, চিত্র-১-এর '?' চিহ্নিত বিষয়টি হলো রাজনৈতিক দলের কার্যাবলি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত যে গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় ও কার্যকর করতে চিত্র-২ এর '?' চিহ্নিত দ্বিদলীয় ব্যবস্থা (Two-party system) অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও অদ্বিতীয় ভূমিকা পালন করে।

    উদ্দীপকের চিত্র-২-এ দল ব্যবস্থার শ্রেণিবিন্যাস দেখানো হয়েছে: একদলীয় ব্যবস্থা, দ্বিদলীয় ব্যবস্থা ('?' চিহ্নিত) এবং বহুদলীয় ব্যবস্থা।

    দ্বিদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত দুটি প্রধান দল রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। এ ব্যবস্থার প্রধান সুবিধাসমূহ হলো:
    ১. সরকারি স্থিতিশীলতা: একটি দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে পারে, ফলে কোয়ালিশন বা জোট সরকারের মতো ঘন ঘন সরকার পতনের ঝুঁকি থাকে না।
    ২. শক্তিশালী বিরোধী দল: নির্বাচনে পরাজিত অপর প্রধান দলটি সংগঠিত ও দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে, যা সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব রোধে কার্যকর।
    ৩. ভোটারদের সুস্পষ্ট বিকল্প: ভোটাররা সহজেই দুটি সুস্পষ্ট নীতির মধ্যে নিজেদের পছন্দের দল ও ভবিষ্যৎ সরকার নির্বাচন করতে পারেন।

    বহুদলীয় ব্যবস্থায় প্রায়ই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কোয়ালিশনের দুর্বলতা দেখা যায়, আর একদলীয় ব্যবস্থায় গণতন্ত্র অনুপস্থিত থাকে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা সফলভাবে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। তাই গণতন্ত্র সুদৃঢ়করণে দ্বিদলীয় ব্যবস্থার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন