পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
ক বিভাগ | খ বিভাগ
i. শাসকের জবাবদিহিতা।ii. রাষ্ট্রের তহবিল রক্ষাকারী।iii. গুরুতর অপরাধের জন্য রাষ্ট্রপ্রধানকে অপসারণ করতে পারে। | i. এর উচ্চ বিভাগের দুটি শাখা আছে।ii. বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা দরকার।iii. দোষী ব্যক্তিকে শাস্তি দেয় এবং নিরপরাধীকে রেহাই দেয়।
- ক)(1)
গ্রাম আদালত কী?
- খ)(2)
প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃদপিণ্ড বলা হয় কেন?
- গ)(3)
'ক' বাংলাদেশ সরকারের কোন বিভাগকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
নাগরিকের অধিকার রক্ষায় 'খ' বিভাগটির গুরুত্ব মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
গ্রামের সাধারণ ও ছোটখাটো বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে গঠিত স্থানীয় আদালতকে গ্রাম আদালত বলে।
- খ)
হৃদপিণ্ড দেহের সব অংশে রক্ত পৌঁছে দিয়ে দেহকে সচল রাখে। তেমনি প্রশাসন সরকারের নীতি ও আইন বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রের সব কাজ পরিচালনা করে। প্রশাসন অচল হলে রাষ্ট্র অচল হয়ে পড়ে। তাই প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃদপিণ্ড বলা হয়।
- গ)
'ক' হলো বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ, যা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
১. আইন বিভাগ সরকারের কাজের জন্য জবাবদিহি আদায় করে, যেমন: প্রশ্ন, বিতর্ক ও অনাস্থা প্রস্তাব।
২. সংসদ রাষ্ট্রের অর্থ বা তহবিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে এবং বাজেট অনুমোদন করে।
৩. সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অভিযোগে সংসদ রাষ্ট্রপ্রধানকে (রাষ্ট্রপতি) অভিশংসন করে অপসারণ করতে পারে।সুতরাং, 'ক' বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
'খ' হলো বিচার বিভাগ। এর উচ্চ পর্যায়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ আছে এবং এটি দোষীকে শাস্তি ও নির্দোষকে রেহাই দেয়। নাগরিকের অধিকার রক্ষায় এর গুরুত্ব অনেক।
১. অধিকারের অভিভাবক: কারও অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে নাগরিক আদালতের শরণাপন্ন হয়ে প্রতিকার পেতে পারে।
২. সংবিধানের রক্ষক: বিচার বিভাগ সংবিধানবিরোধী আইন বা সিদ্ধান্ত বাতিল করে মৌলিক অধিকার রক্ষা করে।
৩. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: নিরপেক্ষ বিচারের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি দিয়ে সমাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
৪. শাসন বিভাগের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ: আদালত সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা প্রতিরোধ করে।সুতরাং, নাগরিকের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগ অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও