পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব রহমান প্রশাসন ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদের কর্মকর্তা হিসেবে অবসরে যান। অবসর পরবর্তী সময়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে একটি সাংবিধানিক সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি তাঁর কর্মস্থলে সম্পূর্ণ স্বাধীন থেকে জাতিকে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেন। তার এরূপ কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ধারায় দেশকে আরো এক ধাপে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- ক)(1)
BPSC-এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
কী কী কারণে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে পদচ্যুত করা যায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের রহমান সাহেব যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এর কার্যাবলি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কতটুকু সহায়ক? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব রহমানের কর্মকাণ্ড 'গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ধারায় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে’ তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
BPSC-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Public Service Commission (বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৯(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি যে কারণ ও পদ্ধতিতে অপসারিত হতে পারেন, ঠিক একই কারণ ও পদ্ধতিতে (যেমন: প্রমাণিত অসদাচরণ বা শারীরিক কিংবা মানসিক অসামর্থ্যর কারণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত সাপেক্ষে) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে পদচ্যুত করা যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের জনাব রহমান নির্বাচন কমিশন (Election Commission)-এর প্রধান বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যাবলি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক।\n\nসুশাসনের মূল স্তম্ভ হলো জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের মূল দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। যখন নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং অবাধ নির্বাচন পরিচালনা করে, তখন জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটে এবং যোগ্য ও দায়বদ্ধ সরকার গঠিত হয়। ফলে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত হয়ে সুশাসন সুদৃঢ় হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রহমানের নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনার কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ধারায় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে—উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।\n\nএকটি কার্যকর গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এতে জনগণের সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায় এবং সরকারের বৈধতা নিশ্চিত হয়। যদি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে তা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অনাস্থা তৈরি করে।\n\nজনাব রহমান সাংবিধানিক ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত হয়েছে, গণতান্ত্রিক রূপান্তর মসৃণ হয়েছে এবং জবাবদিহিতামূলক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি মজবুত হয়েছে। তাই বলা যায়, এ ধরনের ভূমিকা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়িত্ব ও উন্নয়নে অনন্য ইতিবাচক প্রভাব রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও