ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭

ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র প্রশ্ন

মি. দত্ত Y জুট মিলের মালিক। সম্পূর্ণ মিলটি বিমাকৃত। দুর্ঘটনাবশত অগ্নিকাণ্ডে মিলে রক্ষিত সম্পূর্ণ কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতির অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।মি. দত্ত বিমা কোম্পানির নিকট সম্পূর্ণ বিমা দাবি পেশ করেন।

  1. ক)

    প্রিমিয়াম কী?

    (1)
  2. খ)

    সমর্পণ মূল্য বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    মি. দত্ত কী বিমা করেছিলেন? দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বিমার ভূমিকা কী? সংক্ষেপে লিখ।

    (3)
  4. ঘ)

    মি. দত্তা যে বিমা দাবি করেছেন তা কি যুক্তিযুক্ত? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিমাগ্রহীতার ঝুঁকি গ্রহণের প্রতিদান হিসেবে বিমাকারীকে যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়, তাকে প্রিমিয়াম বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জীবন বিমাপত্রের মেয়াদপূর্তির পূর্বে বিমাগ্রহীতা যদি পলিসিটি চালু রাখতে অপারগ হয়ে বিমা কোম্পানির কাছে সমর্পণ করে, তবে কোম্পানি নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমাণ অর্থ ফেরত দেয়, তাকে সমর্পণ মূল্য (Surrender Value) বলে।

    সাধারণত জীবন বিমায় পলিসি কার্যকর হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত অন্তত দুই বা তিন বছর) নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করার পর পলিসিটির সমর্পণ মূল্য সৃষ্টি হয়। বিমাগ্রহীতা আর্থিক সংকটের কারণে পলিসি চালিয়ে যেতে না পারলে তা বাতিল করে সমর্পণ মূল্য গ্রহণ করতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. দত্ত 'অগ্নিবিমা' (Fire Insurance) করেছিলেন।

    দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্নিবিমার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাটকলের মতো বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আগুন লেগে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল পুড়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। অগ্নিবিমা এমন অপ্রত্যাশিত আর্থিক ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা দিয়ে শিল্পোদ্যোক্তাদের ঝুঁকি হ্রাস করে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা নিশ্চিন্তে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে ব্যবসায় বিনিয়োগ ও কারখানা পরিচালনা করতে পারেন। এছাড়াও, অগ্নিবিমা বাণিজ্যিক লেনদেন ও উৎপাদনে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মি. দত্তের সম্পূর্ণ বিমা দাবি পেশ করার বিষয়টি যুক্তিযুক্ত নয়।

    অগ্নিবিমা মূলত একটি 'ক্ষতিপূরণের চুক্তি' (Contract of Indemnity)। এ চুক্তির মূলনীতি অনুযায়ী, বিমাকৃত সম্পত্তির অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়, বিমাকারী প্রতিষ্ঠান কেবল সেই পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বাধ্য থাকে; বিমার মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের কোনো সুযোগ নেই।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, অগ্নিকাণ্ডে মি. দত্তের Y জুট মিলের রক্ষিত সম্পূর্ণ কাঁচামাল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যন্ত্রপাতির সবটুকু ধ্বংস হয়নি, বরং 'অধিকাংশ' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্থাৎ, মিলের কিছু যন্ত্রপাতি এখনো ব্যবহারের উপযোগী বা অক্ষত রয়েছে। কিন্তু মি. দত্ত বিমা কোম্পানির নিকট মিলের 'সম্পূর্ণ' বিমা দাবি পেশ করেছেন।

    যেহেতু পুরো মিলটি শতভাগ বিনষ্ট হয়নি, তাই ক্ষতিপূরণের নীতি অনুযায়ী তিনি কেবল প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের সমান অর্থ দাবি করতে পারেন। অবশিষ্ট অক্ষত যন্ত্রপাতির মূল্য বাদ না দিয়ে সম্পূর্ণ বিমা দাবি পেশ করা বিধিসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত নয়। অতএব, তার সম্পূর্ণ বিমা দাবি করাটি অযৌক্তিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন