ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব রাশেদ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা। কোন বিষয় তিনি একাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। কোন বিষয়ে অধস্তুনদের নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হলে তিনি তাদের সাথে বসেন,আলাপ-আলোচনা করেন। ফলে কর্মচারীরা খুশি থাকেন এবং তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। তবে অতি জরুরী কোন বিষয় তিনি এমনটা করেন না।

  1. ক)

    নির্দেশনা কি?

    (1)
  2. খ)

    নির্দেশনা লিখিত হওয়া বাঞ্ছনীয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জনাব রাশেদের নির্দেশ দানের পদ্ধতি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    অতি জরুরী কোন বিষয়ে কর্মচারীদের সাথে রাশেদের পরামর্শ না করার যৌক্তিকতা কি? ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধস্তনদের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ ও পরামর্শ প্রদান এবং তাদের কাজ তত্ত্বাবধান করার প্রক্রিয়াকে নির্দেশনা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে এবং নির্দেশনার সুস্পষ্ট প্রমাণ ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা লিখিত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

    মৌখিক নির্দেশনা সহজে বিকৃত হতে পারে, কর্মীরা তা ভুলে যেতে পারে কিংবা অস্বীকার করতে পারে। কিন্তু নির্দেশনা লিখিত হলে নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি তা নির্ভুলভাবে বুঝতে ও ভবিষ্যতে অনুসরণের জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। এছাড়া এটি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা ও কাজের মূল্যায়নকে সহজ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব রাশেদের নির্দেশ দানের পদ্ধতি হলো 'পরামর্শমূলক নির্দেশনা' (Consultative direction)।

    যে নির্দেশনায় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা নির্দেশ প্রদানের পূর্বে নেতা তার অধস্তন কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় ও আলাপ-আলোচনা করেন এবং তাদের মতামতকে মূল্যায়ন করেন, তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলে। এর ফলে কর্মীদের মনোবল ও কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

    উদ্দীপকে নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রাশেদ একা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না; নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হলে অধস্তনদের সাথে বসেন এবং আলোচনা করেন। এর ফলে কর্মীরা খুশি থাকেন ও তাকে সহযোগিতা করেন। অধস্তনদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে নির্দেশনা দেওয়ার এই প্রক্রিয়াই হলো পরামর্শমূলক নির্দেশনা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অতি জরুরি পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ রোধ করার জন্য জনাব রাশেদের কর্মচারীদের সাথে পরামর্শ না করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

    পরামর্শমূলক নির্দেশনায় সবার সাথে আলোচনা ও মতামত নিতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু জরুরি বা সংকটময় মুহূর্তে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব বা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে সবার সাথে পরামর্শ করতে গেলে অযথা সময় নষ্ট হয় এবং কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।

    উদ্দীপকে জনাব রাশেদ সাধারণ পরিস্থিতিতে কর্মীদের সাথে পরামর্শ করলেও অতি জরুরি বিষয়ে তা করেন না। কারণ এ ধরনের পরিস্থিতিতে কালবিলম্ব না করে প্রশাসনিক কর্তৃত্ব খাটিয়ে দ্রুত নির্দেশ কার্যকর করা প্রয়োজন। এতে করে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

    সুতরাং, প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা এবং সংকট নিরসনের স্বার্থে জরুরি পরিস্থিতিতে পরামর্শ পরিহার করে সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন