অর্থনীতি • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩

অর্থনীতি প্রশ্ন

কাশপিয়া ও নাছিমা দুই বান্ধবী চাকরির সুবাদে দুই দেশে বসবাস করছেন। দুজনের বসবাসরত দেশ সম্পর্কে ফোনে কথোপকথনের সারমর্ম তুলে ধরা হলো: কাশপিয়া: এ দেশের মাথাপিছু আয় ৩৩,৫৫০ মার্কিন ডলার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহতভাবে চলছে। তাছাড়া এদেশের জনগণ দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন। নাছিমা: বর্তমানে আমার দেশের মাথাপিছু আয় ১৭৫১ মার্কিন ডলার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচকগুলো ক্রমশ ইতিবাচক' পরিবর্তন ঘটছে। এদেশে দক্ষ উদ্যোস্তার অভাবে উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।

  1. ক)

    সাময়িক বেকারত্ব কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    "দারিদ্র্য উন্নয়নের ভিত্তিকে দুর্বল করে"- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উন্নয়নের ধারার ভিত্তিতে কাশপিয়ার দেশ কোন ধরনের? উক্ত দেশের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    নাছিমার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূরীকরণে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    অর্থনীতিতে কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো কারণে সাময়িকভাবে (যেমন চাকরি বদল বা কাঁচামালের অভাবে) কর্মহীন থাকাকে সাময়িক বেকারত্ব বলে।

  2. খ)

    দারিদ্র্যের কারণে মানুষের আয় কম থাকে, ফলে সঞ্চয় কম হয়। সঞ্চয় কম হলে বিনিয়োগ কমে, বিনিয়োগ কম হলে উৎপাদন কমে এবং উৎপাদন কম হলে আবার আয় কম হয়। এই দুষ্টচক্রের ফলে দেশ মূলধন গঠন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তিতে পিছিয়ে পড়ে। তাই দারিদ্র্য উন্নয়নের ভিত্তিকে দুর্বল করে।

  3. গ)

    উন্নয়নের ধারার ভিত্তিতে কাশপিয়ার দেশটি উন্নত দেশ।

    উদ্দীপকে দেশটির মাথাপিছু আয় ৩৩,৫৫০ মার্কিন ডলার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহতভাবে চলছে। জনগণও দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন।

    উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্য:
    ১. মাথাপিছু আয় বেশি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত।
    ২. উন্নত প্রযুক্তি ও শিল্পের ব্যাপক ব্যবহার।
    ৩. জনগণ শিক্ষিত, দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন।
    ৪. সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হার বেশি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত।

  4. ঘ)

    নাছিমার দেশটি একটি উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় ১৭৫১ ডলার এবং দক্ষ উদ্যোক্তার অভাবে উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নিচের পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

    ১. উদ্যোক্তা সৃষ্টি: প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ ও কর সুবিধা দিয়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা।
    ২. মূলধন গঠন: সঞ্চয়কে উৎসাহিত করা এবং সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা।
    ৩. শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ: মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলা।
    ৪. অবকাঠামো উন্নয়ন: যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও ব্যাংকিং সেবা উন্নত করা, যাতে ব্যবসার পরিবেশ ভালো হয়।

    সুতরাং, এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে প্রতিবন্ধকতা কমে নাছিমার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন