বাংলা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
স্তবক-১:মানুষ, সৃষ্টির নেশায় যারা থাকে মগ্ন ব্যর্থ হয় কখনো কখনো ভেঙে যায় সব স্বপ্ন। তবুও দমিয়ে থাকে না তারা আবারো গড়ে আপন ভুবন।স্তবক-২:রাখাল ছেলে চড়ায় ধেনু বাজায় বেণু অশত্থ মূলে সেই গানেই পুলক লেগে ধানের ক্ষেত ওই উঠল দুলে। সেই গানেরই পুলক লেগে বিলের জলের বাঁধন টুটে মায়ের মুখের হাসির মতো কমল কলি উঠল ফুটে।
- ক)(1)
খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
- খ)(2)
"এশিরিয়া ধুলো আজ বেবিলন ছাই হয়ে আছে"- কেন?
- গ)(3)
'সেইদিন, এই মাঠ' কবিতার কোন দিকটি স্তবক-১ এ ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
স্তবক-২ এ প্রকাশিত প্রকৃতির শাশ্বত ও চিরন্তন রূপ 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
এশিরিয়া ও ব্যাবিলন প্রাচীন যুগের গৌরবময় সভ্যতা ছিল। কিন্তু কালের প্রবাহে সেই সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেছে। কবি এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের সৃষ্টি ও সভ্যতা যত বড়ই হোক না কেন, কালের নিয়মে তা বিলীন হয়। তবুও প্রকৃতি ও জীবনের ধারা অবিরাম চলতে থাকে।
- গ)
স্তবক-১-এ ফুটে উঠেছে সৃষ্টি ও ধ্বংসের নিরন্তর চক্র এবং মানুষের অদম্য জীবনীশক্তির দিকটি।
স্তবক-১-এ সৃষ্টির নেশায় মগ্ন মানুষ ব্যর্থ হলেও এবং স্বপ্ন ভেঙে গেলেও দমে যায় না, আবার নতুন করে ভুবন গড়ে। ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন, মানুষ ও তার সভ্যতা কালের প্রবাহে হারিয়ে গেলেও জীবনের ধারা থামে না। নতুন প্রজন্ম আবার জীবন ও সৃষ্টির ধারা এগিয়ে নেয়।
- ঘ)
স্তবক-২-এ রাখালের বাঁশি, ধানক্ষেত, বিলের জল ও কমলকলির বর্ণনার মাধ্যমে প্রকৃতির চিরন্তন ও আনন্দময় রূপ ফুটে উঠেছে। ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতায়ও প্রকৃতির এই শাশ্বত রূপ প্রকাশিত।
১. চিরন্তন গ্রামীণ প্রকৃতি: স্তবকে মাঠ, ধানক্ষেত, বিল ও ফুল আছে। কবিতায়ও মাঠ ও তার প্রাকৃতিক পরিবেশ কালের পরিবর্তনের পরও অটুট থাকে।
২. জীবনের আনন্দময়তা: রাখালের গান শুনে ধানক্ষেত দুলে ওঠে ও পদ্ম ফোটে। এতে প্রকৃতির প্রাণের ছোঁয়া পাওয়া যায়, যা কবিতার জীবনচেতনার সাথে মেলে।
৩. কালজয়ী ধারা: মানুষ ও সভ্যতা বদলে যায়, কিন্তু প্রকৃতির সৌন্দর্য ও নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে।সুতরাং, স্তবক-২-এ প্রকৃতির যে চিরন্তন রূপ ফুটে উঠেছে, তা ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতার মূল ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও