ভূগোল এবং পরিবেশ • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

গ্রহের নাম | গ্রহের বৈশিষ্ট্য
ক | ব্যাস ১২১০৪ কিলোমিটার, এসিড বৃষ্টি হয়।
খ | ব্যাস ৬৭৮৭ কিলোমিটার, লালচে বর্ণের।
গ | ব্যাস ১২৬৬৭ কিলোমিটার, একটি মাত্র উপগ্রহ আছে।

  1. ক)

    নীহারিকা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    দ্রাঘিমা রেখাকে অর্ধবৃত্ত বলা হয় কেন

    (2)
  3. গ)

    ছকে 'ক' দ্বারা কোন গ্রহকে নির্দেশ করা হয়েছে? বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছকে বর্ণিত 'খ' ও 'গ' দ্বারা নির্দেশিত গ্রহ দুটির তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণকে নীহারিকা বলে।

  2. খ)

    দ্রাঘিমারেখা নিরক্ষরেখার ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডের প্রতিটি ভাগবিন্দু দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত কল্পিত রেখা। এ রেখা পৃথিবীর পরিধির অর্ধেকের সমান। অর্থাৎ প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা এক-একটি অর্ধবৃত্ত। তাই দ্রাঘিমারেখাকে অর্ধবৃত্ত বলা হয়।

  3. গ)

    ছকে 'ক' দ্বারা শুক্র গ্রহকে নির্দেশ করা হয়েছে, কারণ এর ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার এবং এখানে এসিড বৃষ্টি হয়।

    শুক্র গ্রহের বর্ণনা:
    ১. শুক্র সূর্য থেকে ১০.৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং সূর্যকে ঘুরে আসতে ২২৫ দিন সময় নেয়।
    ২. এটি ঘন মেঘে ঢাকা, তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনোই দেখা যায় না। এর বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডে তৈরি।
    ৩. এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। ভোরে শুকতারা ও সন্ধ্যায় সন্ধ্যাতারা হিসেবে একে দেখা যায়।
    ৪. এর কোনো উপগ্রহ নেই এবং অন্য গ্রহগুলোর বিপরীতে এটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিজ অক্ষে পাক খায়।

  4. ঘ)

    ছকের 'খ' হলো মঙ্গল গ্রহ এবং 'গ' হলো পৃথিবী। এদের তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো।

    ১. আকার: মঙ্গলের ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর ব্যাসের (প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার) প্রায় অর্ধেক।
    ২. উপগ্রহ: মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ (ফোবোস ও ডিমোস), আর পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ (চাঁদ)।
    ৩. সূর্য প্রদক্ষিণকাল: মঙ্গল সূর্যকে একবার ঘুরতে ৬৮৭ দিন নেয়, আর পৃথিবী নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
    ৪. বায়ুমণ্ডল ও প্রাণ: মঙ্গলে কার্বন ডাই-অক্সাইড শতকরা প্রায় ৯৯ ভাগ এবং অক্সিজেন ও পানি খুব কম, তাই প্রাণের অস্তিত্ব সম্ভব নয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও উপযুক্ত তাপমাত্রা আছে, ফলে এখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
    ৫. সাদৃশ্য: উভয় গ্রহে দিন-রাত্রির পরিমাণ প্রায় সমান।

    সুতরাং, কিছু সাদৃশ্য থাকলেও একমাত্র পৃথিবীই জীবজগতের বসবাসের উপযোগী।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন