গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?
- খ)(2)
রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়-বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
? চিহ্নিত অংশটি কি রোগ নির্দেশ করছে? অসচেতন আচরণের কারণে এই রোগ হতে পারে- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
? চিহ্নিত রোগের পথ্য পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়ের জন্য নয়-এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় নালির প্রাচীরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি হলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রোগের ধরন ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পরিবর্তিত হয় বলে রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়।
বিভিন্ন রোগে শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পুষ্টি পরিপাক ও শোষণে বিঘ্ন ঘটে। যেমন—ডায়াবেটিসে শর্করা জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, আবার কিডনি রোগে প্রোটিন ও সোডিয়াম সীমিত করতে হয়। ভুল খাদ্যাভ্যাস রোগের তীব্রতা বাড়িয়ে রোগীর প্রাণহানির কারণ হতে পারে। তাই রোগীকে সুস্থ করে তুলতে এবং পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করতে রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করা আবশ্যক।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত অংশটি 'ডায়াবেটিস' বা বহুমূত্র রোগ নির্দেশ করছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত লক্ষণগুলো হলো—ওজন হ্রাস পাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, দুর্বলতা এবং ঘন ঘন পিপাসা লাগা। এগুলো ডায়াবেটিস রোগের প্রধান উপসর্গ।
অসচেতন জীবনযাপন ও খাদ্যভ্যাস ডায়াবেটিস (বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস) হওয়ার প্রধান কারণগুলোর একটি। অতিরিক্ত মিষ্টি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ, কায়িক পরিশ্রম বা শারীরিক ব্যায়াম না করা এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীরের ওজন বেড়ে যায় এবং ইনসুলিন হরমোনের কার্যকারিতা হ্রাস পায় বা তৈরি ব্যাহত হয়। এই অসচেতন আচরণ ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ সৃষ্টি হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত রোগটি হলো ডায়াবেটিস। এই রোগের পথ্য পরিকল্পনা কোনো সাময়িক বা নির্ধারিত সময়ের জন্য নয়, বরং এটি আজীবন মেনে চলার বিষয়—উক্তিটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
ডায়াবেটিস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি বিপাকজনিত রোগ, যা একেবারে নিরাময় করা যায় না; তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে একে আজীবন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কোনো ডায়াবেটিস রোগী যদি কিছুদিনের জন্য পথ্য নিয়ন্ত্রণ করে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক করে ফেলে এবং পরে পুনরায় অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ শুরু করে, তবে রক্তে শর্করার মাত্রা আবার বেড়ে গিয়ে চোখ, কিডনি, হৃৎপিণ্ড ও স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ সীমিত রাখা, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া এবং নিয়মিত সময় মেনে সুষম খাদ্য গ্রহণ আজীবন চালিয়ে যেতে হয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীর পথ্য পরিকল্পনা নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমার জন্য নয়, বরং রোগীকে আজীবন এই সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পথ্য পরিকল্পনা মেনে সুস্থ থাকতে হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও