জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় একটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম লেখো।
- খ)(2)
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর জন্য কোন ধরনের বৃক্ষ নির্বাচন করা যায়?
- গ)(3)
AI-সহায়তায় পুনর্গঠিত উপপ্রশ্ন — এটি মূল পরীক্ষার অবিকল উপপ্রশ্ন নয়।
চিত্র Q-তে মাটির উপরে উঠে থাকা বিশেষ মূলগুলির নাম লেখো। জলাবদ্ধ উপকূলীয় কাদামাটিতে উদ্ভিদকে বাঁচতে এগুলি কীভাবে সাহায্য করে, চিত্রের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের P এবং Q উদ্ভিদসমূহ ভিন্ন পরিবেশে জন্মালেও এদের মধ্যে অভিযোজনগত সাদৃশ্য বিদ্যমান ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭-এর জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের অনুরূপ প্রশ্নে 'গ' অংশে 'উদ্দীপকের চিত্র P উদ্ভিদের অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো' শীর্ষক প্রশ্নটি এসেছিল বলে অনুমান করে সমাধান প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশের একটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Corypha taliera (তালি তাল)।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭-এর জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের অনুরূপ প্রশ্নে 'গ' অংশে 'উদ্দীপকের চিত্র P উদ্ভিদের অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো' শীর্ষক প্রশ্নটি এসেছিল বলে অনুমান করে সমাধান প্রদান করা হয়েছে।
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর জন্য মূলত লবণাক্ততা সহনশীল, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে সক্ষম, গভীর মূলবিশিষ্ট এবং বিশেষ ধরনের শ্বাসমূল (নিউমাটোফোর) ও ঠেসমূলযুক্ত ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বৃক্ষ নির্বাচন করা হয়।
যেমন— সুন্দরী (Heritiera fomes), কেওড়া (Sonneratia apetala), বাইন (Avicennia officinalis), ঝাউ (Casuarina equisetifolia), গোলপাতা (Nypa fruticans) ইত্যাদি। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
চিত্র Q-তে মাটির উপরে উঠে থাকা মূলগুলিকে শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর (pneumatophore) হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এটি ম্যানগ্রোভ ধরনের লবণসহিষ্ণু উদ্ভিদের অভিযোজনের চিত্র; শুধু এই সরল চিত্র থেকে নির্দিষ্ট প্রজাতির নাম বলা হচ্ছে না।
জলাবদ্ধ কাদামাটিতে বাতাসের চলাচল কম থাকে এবং মাটির নিচের মূল পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। কিছু মূল মাটির উপরে উঠে বাতাসের সংস্পর্শে আসে; তাদের লেন্টিসেল এবং অভ্যন্তরীণ বায়ুচলাচলের পথ দিয়ে অক্সিজেন নিচের মূলতন্ত্রে পৌঁছায়। এই অক্সিজেন মূলকোষের শ্বসন ও জীবনক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।
তাই শ্বাসমূলের প্রধান ব্যাখ্যাযোগ্য কাজ অক্সিজেনস্বল্প পরিবেশে মূলতন্ত্রের বায়ুপ্রাপ্তি; এগুলিকে সরাসরি লবণ নিঃসরণের গ্রন্থি বলা যাবে না। চিত্রের উপরে ওঠা মূল এবং উপকূলীয় পরিবেশ-সংক্রান্ত অন্য উপপ্রশ্নের প্রেক্ষাপট মিলিয়ে এই ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছে।
Smithsonian-এর ম্যানগ্রোভ ব্যাখ্যা মাটির ওপরে ওঠা নিউম্যাটোফোর ও তাদের লেন্টিসেলের মাধ্যমে অক্সিজেন প্রবেশের বিষয়টি বর্ণনা করে।
মূল অনুপস্থিত উপপ্রশ্নের রেফারেন্স: উৎসে গ অংশের পাঠ ছিল “Option C”। নির্দিষ্ট মূল উপপ্রশ্নটি সংরক্ষিত ছিল না এবং অন্য সংস্করণ/ছবি থেকে উদ্ধার করা যায়নি। ওপরের উপপ্রশ্ন ও উত্তর একই উদ্দীপক ও বিষয় অনুসারে AI-সহায়তায় নতুনভাবে রচিত; এটি মূল পরীক্ষার প্রশ্ন উদ্ধার করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭-এর জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের অনুরূপ প্রশ্নে 'গ' অংশে 'উদ্দীপকের চিত্র P উদ্ভিদের অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো' শীর্ষক প্রশ্নটি এসেছিল বলে অনুমান করে সমাধান প্রদান করা হয়েছে।
উদ্দীপকের চিত্র P হলো মরুজ উদ্ভিদ (জেরোফাইট) এবং চিত্র Q হলো উপকূলীয় লবণাক্ত মাটির ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ (হ্যালোফাইট)।
P উদ্ভিদ চরম শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন মরু পরিবেশে জন্মায়, যেখানে মাটিতে পানির প্রকৃত অভাব থাকে (ভৌত শুষ্কতা)। অন্যদিকে, Q উদ্ভিদ উপকূলীয় প্লাবিত ও অতিরিক্ত লবণাক্ত মাটিতে জন্মায়, যেখানে পর্যাপ্ত পানি থাকা সত্ত্বেও উচ্চ ঘনত্বের লবণের কারণে উদ্ভিদ মূল দ্বারা পানি শোষণ করতে পারে না (শারীরবৃত্তীয় শুষ্কতা)। ফলে ভিন্ন পরিবেশ সত্ত্বেও উভয় উদ্ভিদের মূল চ্যালেঞ্জ হলো পানি সংরক্ষণ ও পানির অপচয় রোধ করা। এ কারণে এদের মধ্যে নিম্নোক্ত অভিযোজনগত সাদৃশ্য দেখা যায়:
১. বাষ্পমোচন রোধে কিউটিকল: উভয় প্রকার উদ্ভিদের পাতা ও কাণ্ডের বহিঃত্বকে অত্যন্ত পুরু কিউটিকল বা মোমের প্রলেপ থাকে, যা অতিরিক্ত প্রস্বেদন রোধ করে।
২. নিমজ্জিত পত্ররন্ধ্র (Sunken Stomata): উভয় উদ্ভিদের ত্বকে সানকেন বা খাঁজের মধ্যে অবস্থিত পত্ররন্ধ্র বিদ্যমান, যা বাষ্পমোচনের হার কমিয়ে পানি অপচয় রোধ করে।
৩. মাংসল ও রসালো অঙ্গ (Succulence): পানি সঞ্চয় করার জন্য মরু উদ্ভিদের কাণ্ড/পাতা এবং ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের পাতাও পুরু, রসালো ও মিউসিলেজযুক্ত হয়।
৪. যান্ত্রিক টিস্যুর দৃঢ়তা: প্রতিকূল পরিবেশে দেহকে দৃঢ় রাখার জন্য উভয় উদ্ভিদে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর প্রাচুর্য ও সুগঠিত ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়।সুতরাং, পরিবেশের ভিন্নতা সত্ত্বেও পানি সংরক্ষণের অভিন্ন শারীরবৃত্তীয় তাগিদের কারণে P ও Q উদ্ভিদের মধ্যে সুস্পষ্ট অভিযোজনগত সাদৃশ্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও