পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
বখাটে যুবক শাহীন স্কুলগামী ছাত্রদের নিয়মিত উত্যক্ত করে।
- ক)(1)
গ্রিন হাউজ বলতে কী বোঝায়?
- খ)(2)
নারীর গতিরোধ করা যৌন হয়রানির অন্তর্ভুক্ত- বর্ণনা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে শাহিনের কর্মকান্ডে কোন সামাজিক সমস্যাটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
বর্ণিত সমস্যাটির প্রতিকারে তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গ্রিন হাউজ বা সবুজ ঘর হলো মূলত কাচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এমন একটি ঘর, যার ভেতরে সূর্যালোক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু উৎপন্ন তাপ বাইরে যেতে পারে না, ফলে তীব্র শীতেও ভেতরের পরিবেশ উষ্ণ থাকে এবং গাছপালা বেঁচে থাকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো নারীর চলাচলের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পথ রোধ করা, আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি বা কটূক্তি করা এবং তাকে অনিরাপদ ও আতঙ্কগ্রস্ত করে তোলা যৌন হয়রানির (ইভটিজিং) আওতাভুক্ত। এটি নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মানসিক নিরাপত্তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বখাটে যুবক শাহীনের কর্মকাণ্ডে 'যৌন হয়রানি' বা 'ইভটিজিং' (Eve-teasing)-এর মতো মারাত্মক সামাজিক সমস্যাটি প্রকাশ পেয়েছে।
ইভটিজিং বা যৌন হয়রানি বলতে সাধারণত রাস্তাঘাটে বা যেকোনো স্থানে নারীদের উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করা, ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণ, শিস দেওয়া, পথ রোধ করা কিংবা শারীরিক ও মানসিকভাবে উত্যক্ত করাকে বোঝায়। উদ্দীপকে শাহীন নিয়মিত স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উত্যক্ত করে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে। এটি আমাদের সমাজে নারী শিক্ষা ও নারীর স্বাধীন চলাফেরার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। শাহীনের এই আচরণ সুস্পষ্টভাবে যৌন হয়রানি নামক সামাজিক অপরাধের প্রতিচ্ছবি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যাটি হলো যৌন হয়রানি বা ইভটিজিং। এটি সামাজিক অবক্ষয়, নারী নির্যাতন এবং কন্যাশিশুদের আত্মহত্যার মতো চরম পরিণতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ সমস্যার কার্যকর প্রতিকারে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে আমি মনে করি:
১. কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ: যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনের দ্রুত ও কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
২. সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা: পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে হবে। বখাটেদের অপতৎপরতা রুখতে স্থানীয় পর্যায়ে অভিভাবক ও যুবসমাজকে নিয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা যেতে পারে।
৩. নৈতিক শিক্ষার প্রসার: পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যুবসমাজের মাঝে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে, যাতে তারা নারীর মর্যাদা অনুধাবন করতে পারে।
৪. প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপদ যাতায়াত: স্কুল-কলেজের আশপাশে ও নির্জন রাস্তাগুলোতে পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে হটলাইন (যেমন ৯৯৯, ১০৯৮) সেবার প্রচার বাড়াতে হবে।সামগ্রিকভাবে পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা এবং রাষ্ট্রীয় আইনের কঠোর প্রয়োগের সমন্বয়েই এ ব্যাধি সমাজ থেকে নির্মূল করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও