যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ. আই' বিজ্ঞানী জেফ্রি হিনটন তথ্যপ্রযুক্তির এই খাতকে উন্নত করতে প্রচুর মেধা ব্যয় করেন। আর এটি বাস্তবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে এখন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়েছে।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তিবিদ্যাকে কেন আকারগত বিজ্ঞান বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    জেফ্রি হিনটনের কাজটির সাথে যুক্তিবিদ্যার প্রকৃতির কোন বিষয়ের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের দ্বিতীয় বাক্যে কি যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয়, কারণ এটি চিন্তার বা যুক্তির বিষয়বস্তুর সত্যতার চেয়ে যুক্তির আকারগত শুদ্ধতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। যুক্তিবিদ্যা অবরোহ অনুমানের নিয়মাবলি নির্ধারণ করে এবং কোনো যুক্তি সেই নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে গঠিত হয়েছে কি না তা যাচাই করে। যুক্তির উপাদান বাস্তব জগতের সাথে মিলল কি না তার চেয়ে যুক্তির গঠন বা আকার সংগতিপূর্ণ কি না—এটিই এখানে মুখ্য, তাই যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জেফ্রি হিনটনের কাজটির সাথে যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানমূলক বা তাত্ত্বিক প্রকৃতির মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা একই সাথে বিজ্ঞান ও কলা। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা বৈধ চিন্তার সাধারণ নিয়মাবলি আবিষ্কার ও প্রণয়ন করে তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি করে। উদ্দীপকে বিজ্ঞানী জেফ্রি হিনটন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো জটিল প্রযুক্তিগত খাতের বিকাশে নতুন নতুন তত্ত্ব ও গবেষণায় মেধা ব্যয় করেছেন। তাঁর এই অনুসন্ধানমূলক ও নিয়ম প্রণয়নকারী তাত্ত্বিক গবেষণার সাথে সঠিক চিন্তার নিয়ম অনুসন্ধানে যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞানমূলক প্রকৃতির গভীর সাদৃশ্য দেখা যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের দ্বিতীয় বাক্যে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়নি; বরং যুক্তিবিদ্যার কেবল ফলিত বা ব্যবহারিক (কলা) দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই। বিজ্ঞান হিসেবে এটি সঠিক যুক্তিবিন্যাসের নিয়ম আবিষ্কার ও শিক্ষা দেয় এবং কলা হিসেবে এটি সেই নিয়মগুলোকে বাস্তব চিন্তায় প্রয়োগ করে সত্য অনুসন্ধান ও অসত্য বর্জনে সহায়তা করে। উদ্দীপকের দ্বিতীয় বাক্যে বলা হয়েছে কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে 'বাস্তবে প্রয়োগ' করতে তৎপর হয়েছে, যা যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক রূপটিকে তুলে ধরে। কিন্তু কেবল প্রয়োগ দিয়ে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ পূর্ণাঙ্গ হয় না; এর মূল ভিত্তি হলো বিজ্ঞানভিত্তিক নিয়ম ও তত্ত্ব। যেহেতু সেখানে তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞান রূপটির অনুপস্থিতি রয়েছে এবং শুধুমাত্র প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে, তাই দ্বিতীয় বাক্যটিতে যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক স্বরূপ প্রতিফলিত হয়নি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন