জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
রফিক রাশেদা দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। এর মধ্যে একজন পুত্র লাল-সবুজ সঠিকভাবে চিনতে পারে না।
- ক)(1)
ইলামসিফিকেশন কী?
- খ)(2)
সিস্টোল ও ডায়াস্টোল বলতে কী বুঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে F₂ জনুর ফলাফল চেকার বোর্ডে দেখাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে দম্পতির জিনোটাইপ
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পিত্তলবণের প্রভাবে স্নেহজাতীয় বা চর্বিজাতীয় পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় পরিণত হয়ে পানির সাথে মিশে যে দ্রবণ তৈরি করে, চর্বির সেই সূক্ষ্ম কণায় রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন (Emulsification) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচন ও প্রসারণ হলো যথাক্রমে সিস্টোল ও ডায়াস্টোল।
১. সিস্টোল: হৃৎপিণ্ডের অলিন্দ বা নিলয়ের সংকোচন অবস্থাকে সিস্টোল বলে। এর মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ থেকে রক্তবাহিকায় বা পরবর্তী প্রকোষ্ঠে সঞ্চালিত হয়।
২. ডায়াস্টোল: হৃৎপিণ্ডের অলিন্দ বা নিলয়ের প্রসারণ ও শিথিল অবস্থাকে ডায়াস্টোল বলে। এ সময় রক্তে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো পূর্ণ হয়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে লাল-সবুজ বর্ণান্ধতার কথা বলা হয়েছে, যা একটি এক্স-লিঙ্কড রিসেসিভ (X-linked recessive) বৈশিষ্ট্য।
স্বাভাবিক দৃষ্টির অ্যালিলকে এবং বর্ণান্ধতার অ্যালিলকে ধরা হলো।
যেহেতু একজন পুত্র বর্ণান্ধ (), তাই তার এই জিনটি নিশ্চিতভাবেই মা রাশেদার কাছ থেকে এসেছে। আবার অন্য সন্তানরা স্বাভাবিক হওয়ায় পিতা রফিকের জিনোটাইপ স্বাভাবিক () এবং মাতা রাশেদা বর্ণান্ধতার বাহক ()। এটি হলো জনু।জনুর সন্তানরা হলো:
- কন্যা: (স্বাভাবিক) অথবা (বাহক)
- পুত্র: (স্বাভাবিক) অথবা (বর্ণান্ধ)
জনুর বর্ণান্ধ পুত্র () এর সাথে একজন স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন মহিলার () বিয়ে হলে জনু নিম্নরূপ হবে:
পিতামাতা (): পিতা () মাতা ()
গ্যামেট: পিতার গ্যামেট (, ), মাতার গ্যামেট ()চেকার বোর্ড ( জনু):
স্ত্রী \ পুরুষ (বাহক কন্যা) (স্বাভাবিক পুত্র) ফলাফল:
- সকল কন্যা বাহক কিন্তু স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন ()
- সকল পুত্র স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন ()
(অথবা বাহক কন্যার সাথে স্বাভাবিক পুরুষের মিলনে ৫০% পুত্র স্বাভাবিক, ৫০% পুত্র বর্ণান্ধ এবং ৫০% কন্যা স্বাভাবিক, ৫০% কন্যা বাহক হবে)।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে রফিক-রাশেদা দম্পতির জিনোটাইপ নির্ধারণ ও বিশ্লেষণ:
১. রোগটির প্রকৃতি: লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা একটি সেক্স-লিঙ্কড (X-লিঙ্কড) প্রচ্ছন্ন বা রিসেসিভ বংশগত ব্যাধি। পুরুষের ক্ষেত্রে একটিমাত্র X ক্রোমোজোমে প্রচ্ছন্ন জিন () থাকলেই সে বর্ণান্ধ হয়, কারণ Y ক্রোমোজোমে এর কোনো সম্পূরক অ্যালিল থাকে না। অন্যদিকে স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে উভয় X ক্রোমোজোমেই প্রচ্ছন্ন জিন () থাকলে কেবল তখনই বর্ণান্ধতা প্রকাশ পায়; একটি স্বাভাবিক অ্যালিল () থাকলে সে বাহক হয় কিন্তু দৃষ্টি স্বাভাবিক থাকে।
২. দম্পতির জিনোটাইপ বিশ্লেষণ:
- উদ্দীপকে রফিক ও রাশেদার নিজেদের বর্ণান্ধতার কথা উল্লেখ নেই, তবে তাদের সন্তানদের একজন পুত্র লাল-সবুজ বর্ণান্ধ।
- পুত্রসন্তান পিতার কাছ থেকে কেবল Y ক্রোমোজোম লাভ করে এবং মাতার কাছ থেকে একমাত্র X ক্রোমোজোমটি গ্রহণ করে।
- সুতরাং, আক্রান্ত পুত্রের ক্রোমোজোমটি নিশ্চিতভাবেই তার মা রাশেদার কাছ থেকে এসেছে।
- যেহেতু রাশেদা নিজে দৃষ্টিহীন বা বর্ণান্ধ নন, তাই তার একটি স্বাভাবিক অ্যালিল () রয়েছে। অর্থাৎ রাশেদার জিনোটাইপ হলো (তিনি বর্ণান্ধতার বাহক)।
- পিতা রফিকের দৃষ্টি স্বাভাবিক হওয়ায় তার জিনোটাইপ হবে । যদি রফিক বর্ণান্ধ হতেন, তবে উদ্দীপকে তা নির্দিষ্ট করে বলা থাকত।
অতএব, উদ্দীপকের দম্পতির জিনোটাইপ:
- রফিক (পিতা): (স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন পুরুষ)
- রাশেদা (মাতা): (বর্ণান্ধতার বাহক স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন মহিলা)।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও