ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
মি. সিয়াম সৌদি আরব থেকে খেজুর এনে সারাদেশে সরবরাহ করেন। ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনা করে তিনি ১০টন খেজুর ক্রয়ের ফরমায়েশ দেন। ফরমায়েশ মোতাবেক চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সকল আনুষ্ঠানিকতার শেষে রাজশাহী আনার সময় পণ্যবাহী ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় পড়লে ৪টন খেজুর নষ্ট হয়। এতে তিনি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
- ক)(1)
পর্যায়িতকরণ কি?
- খ)(2)
পণ্যের মালিকানাগত বাধা কিভাবে দূর করা যায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. সিয়াম কোন ধরনের বাণিজ্যের সাথে জড়িত? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
ভবিষ্যতে মি. সিয়ামকে আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পণ্য বিনিময় সহায়ক কোন কাজটি ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তুমি মনে কর? উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পণ্যের গুণাগুণ, আকার, ওজন, রং ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে পণ্যসামগ্রীকে বিভিন্ন মান বা শ্রেণিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে পর্যায়িতকরণ (Grading) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা স্বত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে পণ্যের মালিকানাগত বাধা দূর করা যায়।
উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে মালিকানা সংক্রান্ত যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়, তা ব্যবসায়ের শাখা 'বাণিজ্য'-এর অন্তর্ভুক্ত পণ্য বিনিময়ের (ক্রয়-বিক্রয়) মাধ্যমে নিরসন ঘটে। ক্রয়-বিক্রয়ের ফলে পণ্যের মালিকানা উৎপাদক বা বিক্রেতার নিকট থেকে ক্রেতা বা ভোক্তার কাছে স্থানান্তরিত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. সিয়াম বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্তর্ভুক্ত আমদানি (Import) বাণিজ্যের সাথে জড়িত।
কোনো সার্বভৌম দেশ যখন অন্য কোনো সার্বভৌম দেশ থেকে পণ্য বা সেবা নিজ দেশে কিনে নিয়ে আসে, তখন তাকে আমদানি বাণিজ্য বলে। এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্যতম একটি রূপ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. সিয়াম নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নয়, বরং বিদেশ (সৌদি আরব) থেকে খেজুর ক্রয় করে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে নিয়ে আসেন। দেশের বাইরে থেকে এভাবে পণ্য কিনে এনে দেশের বাজারে সরবরাহ করার কার্যক্রম আমদানি বাণিজ্যের আওতাভুক্ত। তাই মি. সিয়াম আমদানি বাণিজ্যের সাথে জড়িত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ভবিষ্যতে মি. সিয়ামকে এরূপ আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পণ্য বিনিময় সহায়ক কাজ হিসেবে 'বীমা' (Insurance) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
ব্যবসায়ে পরিবহনকালে বা সংরক্ষণে দুর্ঘটনাজনিত কারণে পণ্য নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার যে ঝুঁকি বিদ্যমান থাকে, তা দূর করার প্রধান সহায়ক কাজ হলো বীমা। বীমা চুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে বীমা কোম্পানি সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির দায়ভার গ্রহণ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাজশাহী পণ্য পরিবহনের সময় পণ্যবাহী ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় পড়ে ৪ টন খেজুর নষ্ট হয় এবং মি. সিয়াম সরাসরি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সড়কপথে বা নৌপথে পণ্য স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পরিবহনজনিত ঝুঁকি সর্বদা বিদ্যমান থাকে।
মি. সিয়াম যদি পণ্য পরিবহনের পূর্বে উপযুক্ত 'নৌ-বীমা' বা 'পরিবহন বীমা' (Transit Insurance) গ্রহণ করতেন, তবে দুর্ঘটনাজনিত এই ক্ষতির জন্য বীমা কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারতেন। এতে তাঁর ওপর এককভাবে এই বিশাল আর্থিক ক্ষতি বর্তাত না। সুতরাং, ভবিষ্যতে এরূপ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এবং ঝুঁকি লাঘব করতে বীমা কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও