জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
হাইপোস্টোম কাকে বলে?
- খ)(2)
স্পার্মোটোজেনেসিস বলতে কী বুঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্রের 'P' - এর কাজ ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
প্রাণিদেহে উদ্দীপকের 'Q' চিহ্নিত অংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হাইড্রার দেহের মুক্ত প্রান্তের শীর্ষদেশে অবস্থিত সংকোচন-প্রসারণশীল, মোচাকৃতির অংশটিকে হাইপোস্টোম বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে জৈবিক প্রক্রিয়ায় পুরুষ প্রাণীর শুক্রাশয়ের আদি জননকোষ (স্পার্মাটোগোনিয়া) থেকে মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড শুক্রাণু উৎপন্ন হয়, তাকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। এটি শুক্রাশয়ে সংঘটিত হয় এবং এর মাধ্যমে জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক (n) হয়ে বংশগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে 'P' চিহ্নিত অংশটি হলো এপিডার্মিসের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ (Interstitial cell)।
ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের প্রধান কাজগুলো নিম্নরূপ:
১. পুনরুৎপত্তি ও কোষ সৃষ্টি: এ কোষগুলো টটিপোটেন্ট (totipotent) প্রকৃতির। হাইড্রার দেহপ্রাচীরের যে কোনো ধরনের কোষ প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ থেকে রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি হতে পারে।
২. মুকুলোদগম: অযৌন জননকালে ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে মুকুল সৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।
৩. নিডোসাইট সৃষ্টি: নিডোসাইট বা নিডোব্লাস্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হলে তা প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন নিডোসাইট তৈরি করে।
৪. জননাঙ্গ গঠন: যৌন প্রজননের সময় এরা ডিম্বাশয় ও শুক্রাশয় গঠন এবং জননকোষ তৈরিতে অংশ নেয়।
৫. ক্ষতপূরণ: দেহের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে 'Q' চিহ্নিত অংশটি হলো হাইড্রার কেন্দ্রীয় গহ্বর বা 'সিলেন্টেরন' (Coelenteron)।
প্রাণিদেহে সিলেন্টেরনের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
১. গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর হিসেবে ভূমিকা: সিলেন্টেরন একই সাথে খাদ্য পরিপাক এবং পরিপাককৃত সারবস্তু পরিবহনে অংশ নেয় বলে একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বা পরিপাক-সংবহন গহ্বর বলা হয়।
২. খাদ্য পরিপাক: মুখছিদ্র দিয়ে গৃহীত খাদ্য সিলেন্টেরনে প্রবেশ করে। গ্যাস্ট্রোডার্মিসের ক্ষরণকারী কোষ থেকে নিঃসৃত এনজাইমের সাহায্যে খাদ্যবস্তুর প্রাথমিক বা বহিঃকোষীয় (বহুকোষীয়) পরিপাক সিলেন্টেরনে সম্পন্ন হয়।
৩. সংবহন ও বণ্টন: পরিপাকের পর পুষ্টি উপাদান এবং পানি সিলেন্টেরনের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবাহিত ও বণ্টিত হয়।
৪. বর্জ্য নিষ্কাশন: অপাচ্য অংশ এবং বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ সিলেন্টেরনে জমা হয় এবং পরে হাইপোস্টোমের শীর্ষের মুখছিদ্র দিয়ে বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়।
৫. শ্বসন ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজ: সিলেন্টেরনে প্রবেশ করা পানির মাধ্যমে কোষে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বাইরে নির্গত হয়।সুতরাং, হাইড্রার মতো দ্বিস্তরী প্রাণীর জীবনধারণে সিলেন্টেরন একটি বহুমুখী ও অপরিহার্য গহ্বর হিসেবে কাজ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও