পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
জনপ্রিয় নেতা জনাব মুশফিক খান এক জনসভায় বললেন, "সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য সবাইকে কতগুলো দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের সংহতির বিরুদ্ধে কোনো কিছু করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।" তিনি দলীয় নেতা-কর্মীকে এসব দায়িত্ব পালনের জন্য উৎসাহিত করলেন। তিনি আরো বললেন, "রাষ্ট্র প্রদত্ত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলকে রাষ্ট্রের সেবা করার প্রতি যত্নশীল হতে হবে।
- ক)(1)
দেশপ্রেম কী?
- খ)(2)
পৌরনীতি পাঠ করা জরুরি কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব মুশফিক খানের বক্তব্যে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে শেষ বক্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিজের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং দেশের স্বার্থে আত্মত্যাগের মানসিকতাই হলো দেশপ্রেম।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পৌরনীতি হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন, রাষ্ট্রের উৎপত্তি, প্রকৃতি, শাসনব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান অর্জনের জন্য পৌরনীতি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি একজন মানুষকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব মুশফিক খানের বক্তব্যে আমাদের পাঠ্যবইয়ের নাগরিকের 'কর্তব্য' বা 'দায়িত্ব' পালনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রের একজন সদস্য হিসেবে নাগরিক যেমন কিছু মৌলিক অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি তাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্যও পালন করতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, আইন মান্য করা, নিয়মিত কর প্রদান করা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সংহতি বজায় রাখা।
উদ্দীপকে জনাব মুশফিক খান বলেছেন, "সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য সবাইকে কতগুলো দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের সংহতির বিরুদ্ধে কোনো কিছু করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।" তাঁর এই আহ্বানে নাগরিকের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে। অতএব, বক্তব্যটি নাগরিকের কর্তব্য পালনের ধারণাকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের শেষ বক্তব্যটি হলো: "রাষ্ট্র প্রদত্ত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলকে রাষ্ট্রের সেবা করার প্রতি যত্নশীল হতে হবে"—উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ ও যৌক্তিক।
নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য পরস্পরের পরিপূরক। অধিকার ভোগ করতে হলে দায়িত্ব পালন অপরিহার্য। রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, সার্বভৌমিকতা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের ওপর। নাগরিকরা যদি রাষ্ট্রের আইন মেনে চলে, রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকে, সততা ও যোগ্যতার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এবং যথাসময়ে কর দেয়, তবেই রাষ্ট্র জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
উদ্দীপকে নেতা মুশফিক খান কর্মীদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রাষ্ট্র সেবায় উদ্বুদ্ধ করেছেন। যখন নাগরিকরা রাষ্ট্র প্রদত্ত দায়িত্বগুলোকে কেবল বোঝা না ভেবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে, তখনই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক শান্তি ও জাতীয় সংহতি নিশ্চিত হয়। সুতরাং, দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই প্রকৃত দেশসেবা ও রাষ্ট্রের টেকসই কল্যাণ সাধিত হয় বলে বক্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও