ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব সাইফুল তার পাওনাদার রুহুল আমিনকে ০১.০১.২০২৪ ইং তারিখে ১,০০,০০০ টাকার একটি চেক প্রদান করেন এবং চেকের আড়াআড়ি কোণে 'অ্যান্ড কোং' শব্দদ্বয় লিখে দেন। জনাব রুহুল ০১.০৯.২০২৪ ইং তারিখে চেকটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখায় উপস্থাপন করলে ব্যাংক উত্ত চেকের অর্থ পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করে।
- ক)(1)
বাহক চেক কী?
- খ)(2)
ফাঁকা চেক বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব রুহুল কোন ধরনের দাগকাটা চেক পেয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত চেকটি কোন কারণে অর্থ পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করে বলে তুমি মনে করো? তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে চেকের অর্থ প্রাপক নিজে বা চেকের বাহক ব্যাংকের কাউন্টারে উপস্থাপন করে তাৎক্ষণিকভাবে নগদ গ্রহণ করতে পারে, তাকে বাহক চেক বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে চেকে হিসাবধারীর স্বাক্ষর ব্যতীত টাকার পরিমাণ, প্রাপকের নাম বা তারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফাঁকা রেখে ইস্যু করা হয়, তাকে ফাঁকা চেক (Blank Cheque) বলে।
এ ধরনের চেকের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রাপক নিজে অবশিষ্ট তথ্য পূরণ করে ব্যাংকে উপস্থাপন করতে পারে। তবে এটি হস্তান্তর বা সংরক্ষণে যথেষ্ট ঝুঁকি বিদ্যমান থাকে, কারণ চেকটি হারিয়ে গেলে যে কেউ তথ্য বসিয়ে অপব্যবহার করতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব রুহুল সাধারণ দাগকাটা চেক (General Crossed Cheque) পেয়েছিলেন।
চেকের বামদিকের ওপরের কোণে আড়াআড়িভাবে দুটি সমান্তরাল সরলরেখা অঙ্কন করে তার মাঝে 'অ্যান্ড কোং' (& Co.) বা অনুরূপ কোনো শব্দ লিখলে বা কেবল সমান্তরাল দাগ টানলে, তাকে সাধারণ দাগকাটা চেক বলা হয়। এই চেকে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকের নাম উল্লেখ থাকে না।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব সাইফুল পাওনাদারকে ১,০০,০০০ টাকার একটি চেক প্রদান করার সময় চেকের কোণে আড়াআড়িভাবে 'অ্যান্ড কোং' শব্দদ্বয় লিখে দেন। এতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকের নাম লেখা হয়নি। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন অনুযায়ী এটি একটি সাধারণ দাগকাটা চেকের স্পষ্ট উদাহরণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত চেকটির অর্থ পরিশোধে ব্যাংক অপারগতা প্রকাশ করেছে মূলত চেকটি 'বাসি চেক' বা তামাদি চেক (Stale Cheque) হওয়ার কারণে।
ব্যাংকিং নিয়ম ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো চেক ইস্যুর তারিখ থেকে নির্দিষ্ট মেয়াদের (সাধারণত ৬ মাস বা ১৮০ দিন) মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপিত না হলে তা তামাদি বা বাসি চেক হিসেবে গণ্য হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক উক্ত চেকের অর্থ পরিশোধ করতে আইনত বাধ্য থাকে না এবং তা প্রত্যাখ্যান করে।
উদ্দীপকে জনাব সাইফুল চেকটি ইস্যু করেছিলেন ০১.০১.২০২৪ তারিখে। কিন্তু প্রাপক জনাব রুহুল আমিন চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করেন ০১.০৯.২০২৪ তারিখে। অর্থাৎ চেকটি ইস্যুর তারিখ থেকে উপস্থাপন করার মধ্যবর্তী সময় ছিল পূর্ণ ৮ মাস, যা বৈধ কার্যকারিতা সীমার (৬ মাস) চেয়ে বেশি।
যেহেতু চেকটির নির্ধারিত ৬ মাসের মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল, সেহেতু এটি বাসি চেকে পরিণত হয়। ফলে ব্যাংক আইনসংগত কারণেই উক্ত চেকের অর্থ পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও