ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব শাহীন একটি নতুন বৃহদায়তন গার্মেন্টস কারখানা গড়ার লক্ষ্যে সংগঠন কাঠামো তৈরি করছেন। তিনি এমনভাবে সংগঠন কাঠামো সাজাচ্ছেন যাতে প্রত্যেকটি কর্মী একটি নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী হয়ে উঠে। তিনি একজন নির্বাহীর অধীনে কর্মীর সংখ্যা যথাযথভাবে নির্ধারণ করেছেন যাতে তার তদারকি করতে কোনো অসুবিধা না হয়। তাছাড়া একজন কর্মীকে যাতে একাধিক নির্বাহী আদেশ না দেন সেটিও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

  1. ক)

    কমিটি কী?

    (1)
  2. খ)

    কোন কোন ক্ষেত্রে সরলরৈখিক সংগঠন সবচেয়ে বেশি উপযোগী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জনাব শাহীন প্রথমত সংগঠন কাঠামো তৈরির কোন মূলনীতি অনুসরণ করেছেন? - ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    জনাব শাহীন পরবর্তীতে সংগঠন কাঠামো তৈরির যে মূলনীতি অনুসরণ করেছেন উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক দলকে কমিটি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সরলরৈখিক সংগঠন মূলত ছোট বা মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠান এবং যেখানে কাজের ধরন সরল ও পুনরাবৃত্তিমূলক, সেখানে সবচেয়ে বেশি উপযোগী।\n\nএছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে কঠোর শৃঙ্খলা ও দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয় (যেমন: সামরিক বাহিনী), যেখানে বিশেষজ্ঞ কর্মীর প্রয়োজনীয়তা কম এবং শ্রমবিভাজনের জটিলতা নেই, সেসব ক্ষেত্রে সরলরৈখিক সংগঠন সর্বোত্তম ফল দেয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব শাহীন প্রথমত সংগঠন কাঠামো তৈরির 'শ্রমবিভাগ বা বিশেষায়নের নীতি' (Principle of Division of Work/Specialization) অনুসরণ করেছেন।\n\nপ্রতিষ্ঠানের সমগ্র কাজকে বিভিন্ন প্রকৃতি অনুযায়ী বিভক্ত করে যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কর্মীর ওপর নির্দিষ্ট কাজের দায়িত্ব অর্পণ করার নীতিকে শ্রমবিভাগ বা বিশেষায়নের নীতি বলে। এর ফলে একই কাজ বারবার করতে করতে সংশ্লিষ্ট কর্মী ঐ কাজে বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করে।\n\nউদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব শাহীন তাঁর বৃহদায়তন গার্মেন্টস কারখানার সংগঠন কাঠামো এমনভাবে সাজাচ্ছেন যাতে প্রত্যেকটি কর্মী একটি নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী হয়ে ওঠে। কর্মীদের এই নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ করে তোলার উদ্যোগটি সংগঠন কাঠামোর শ্রমবিভাগ বা বিশেষায়নের নীতির সফল প্রয়োগকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জনাব শাহীন পরবর্তীতে সংগঠন কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে 'নিয়ন্ত্রণ পরিসরের নীতি' এবং 'আদেশের ঐক্য নীতি' অনুসরণ করেছেন, যা সংগঠনের কার্যকর পরিচালনার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ।\n\n১. নিয়ন্ত্রণ পরিসরের নীতি (Principle of Span of Control): একজন নির্বাহীর অধীনে কতজন অধস্তন কর্মী সরাসরি কাজ করবেন এবং সুষ্ঠুভাবে তত্ত্বাবধান করা যাবে, তা নির্ধারণ করাকে নিয়ন্ত্রণ পরিসর বলে। উদ্দীপকে জনাব শাহীন একজন নির্বাহীর অধীনে কর্মীর সংখ্যা যথাযথভাবে নির্ধারণ করেছেন, যাতে নির্বাহী কোনো অসুবিধা ছাড়াই তাঁদের কার্যক্রম তদারকি করতে পারেন।\n\n২. আদেশের ঐক্য নীতি (Principle of Unity of Command): এই নীতি অনুযায়ী প্রতিটি কর্মীর প্রত্যক্ষ আদেশদাতা হবেন কেবল একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। একাধিক কর্মকর্তার আদেশ পরিহার করাই এর মূল কথা। উদ্দীপকে জনাব শাহীন নিশ্চিত করেছেন যেন একজন কর্মীকে একাধিক নির্বাহী আদেশ দিতে না পারেন, যা আদেশের ঐক্যের নীতিকেই প্রতিফলিত করে।\n\nপরিশেষে বলা যায়, উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণ পরিসর নির্ধারণ তদারকিকে সহজ ও কার্যকর করে এবং আদেশের ঐক্য কর্মীদের দ্বৈত অধীনতার বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত রাখে। ফলে জনাব শাহীনের এই মূলনীতিগুলোর যুগপৎ প্রয়োগ কারখানাটির শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন