ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    শিল্প বিপ্লব কি?

    (1)
  2. খ)

    আদেশের ঐক্য নীতির প্রয়োজনীয়তা কি?

    (2)
  3. গ)

    চিত্রে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের কোন কার্যটি বাদ পড়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    ব্যবস্থাপনাকে একটি অবিরাম প্রক্রিয়া বলা হয় কেন? চিত্রের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে (১৭৫০ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে) উৎপাদন ব্যবস্থায় হস্তচালিত পদ্ধতির পরিবর্তে যন্ত্রনির্ভর পদ্ধতির প্রবর্তন এবং ব্যাপক রূপান্তরের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থায় যে যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আদেশের ঐক্য নীতি বলতে বোঝায় একজন অধস্তন কর্মী কেবল একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকেই সরাসরি আদেশ লাভ করবেন।

    প্রতিষ্ঠানে দ্বৈত অধীনতা পরিহার করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এই নীতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। একাধিক কর্মকর্তার নিকট থেকে আদেশ এলে কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা বাড়ে এবং কাজের গতি ব্যাহত হয়। তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও দক্ষতার সাথে কার্য সম্পাদনের লক্ষ্যে আদেশের ঐক্য নীতি অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্রে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের 'প্রেষণা' (Motivation) কার্যটি বাদ পড়েছে।

    প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের কাজের প্রতি উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে। ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান ও নির্দেশনার পর কর্মীদের মাধ্যমে কাজ আদায়ের জন্য প্রেষণাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    উদ্দীপকের চিত্রে ব্যবস্থাপনা চক্রের বিভিন্ন কাজের মধ্যে পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু নির্দেশনা ও সমন্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দেওয়া রয়েছে। ব্যবস্থাপনা চক্রের ধারাবাহিকতা অনুসারে নির্দেশনার পরবর্তী ও সমন্বয়ের পূর্ববর্তী মৌলিক কাজটি হলো প্রেষণা বা প্রেসণা। সুতরাং চিত্রে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের প্রেষণাদান কাজটি বাদ পড়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমসমূহ চক্রাকারে অবিরাম বা অবিরত আবর্তিত হতে থাকে বলেই ব্যবস্থাপনাকে একটি অবিরাম বা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বলা হয়।

    যেকোনো প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম একটির পর একটি ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন হতে থাকে। ব্যবস্থাপনার কাজগুলো শুরু হয় পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে এবং শেষ হয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। তবে নিয়ন্ত্রণেই ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায় না; নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিচ্যুতির আলোকে পুনরায় নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়, যা ব্যবস্থাপনাকে একটি অবিচ্ছিন্ন রূপ দেয়।

    উদ্দীপকের চিত্রে 'ব্যবস্থাপনা কার্যচক্র' একটি বৃত্তাকার ছকের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। এতে দেখা যায়—পরিকল্পনা দিয়ে কাজ শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত অগ্রসর হয়। নিয়ন্ত্রণ পর্বে এসে পূর্বনির্ধারিত মানের সাথে প্রকৃত কাজের তুলনা করা হয় এবং কোনো ভুলত্রুটি বা বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধনমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরবর্তী পরিকল্পনায় যুক্ত করা হয়। ফলে চক্রটি শেষ না হয়ে পুনরায় পরিকল্পনা থেকে নতুন উদ্যমে শুরু হয়।

    অতএব, চিত্রটি থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি নির্দিষ্ট চক্রে অবিরাম আবর্তিত হতে থাকে, যার কোনো চূড়ান্ত সমাপ্তি নেই। এ কারণেই ব্যবস্থাপনাকে একটি অবিরাম প্রক্রিয়া বলা হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন