গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
নিচের ছক দুটি লক্ষ্য করো:
ছক-১:
• সুষ্ঠু দেহভঙ্গি নিয়ে কাজ করা
• কাজের সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখা
ছক-২:
• কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ
• গায়ের চলার পথ অনুসরণ
- ক)(1)
সময় তালিকা কী?
- খ)(2)
সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবীয় সম্পদ- বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছক-১ এ Marvin E. Mundel কাজ সহজকরণের কোন পরিবর্তনের কথা উপস্থাপিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে-উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সময়ের যে লিখিত বা সুচিন্তিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে সময় তালিকা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সময় প্রকৃতিপ্রদত্ত একটি সীমিত ও অমূল্য মানবীয় সম্পদ। সবার জন্যই দিনে ২৪ ঘণ্টা সময় নির্ধারিত থাকে এবং এই সম্পদ কারো জন্য বাড়ানো বা জমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। সময়ের অপচয় হলে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। মানবীয় গুণের অংশ হিসেবে সময়কে সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতনভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই মানুষ জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারে। তাই সময়কে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবীয় সম্পদ বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছক-১ এ মার্ভিন ই. মান্ডেল (Marvin E. Mundel)-এর কাজ সহজকরণ পদ্ধতির প্রথম পরিবর্তন— 'হাত ও শরীরের গতিবিধির পরিবর্তন' উপস্থাপিত হয়েছে।
মান্ডেল কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে পাঁচটি পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে প্রথমটি হলো হাত ও দেহের গতিবিধি পরিবর্তন ও সঠিক ব্যবহার। উদ্দীপকের ছক-১ এ বলা হয়েছে: 'সুষ্ঠু দেহভঙ্গি নিয়ে কাজ করা' এবং 'কাজের সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখা'।
কাজ করার সময় শরীর ও হাতকে এমনভাবে চালনা করতে হবে যাতে অল্প শক্তি ব্যয় করে বেশি কাজ করা যায়। দাঁড়িয়ে বা বসে যেভাবেই কাজ করা হোক না কেন, মেরুদণ্ড সোজা রাখলে দেহের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং পেশির ওপর অযথা চাপ পড়ে না। এর ফলে ক্লান্তি কম আসে এবং কাজের গতি বজায় থাকে। অতএব, ছক-১ এ মান্ডেলের হাত ও শরীরের গতিবিধির পরিবর্তনের বিষয়টিই প্রকাশ পেয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে কার্যকর প্রভাব বিস্তার করে— উক্তিটি যথার্থ।
গৃহ ব্যবস্থাপনায় কোনো কাজ কীভাবে সহজে, কম সময় ও শ্রমে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যায়, তার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াই হলো কাজ সহজকরণ। মান্ডেল এবং অন্যান্য গৃহ অর্থনীতিবিদগণ কাজ সহজকরণে নানাবিধ নিরীক্ষণ কৌশল ব্যবহারের কথা বলেছেন। উদ্দীপকের ছক-২ এ 'কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ' এবং 'গায়ের চলার পথ অনুসরণ' এর কথা বলা হয়েছে, যা মূলত প্রসেস চার্ট (Process Chart) এবং পাথওয়ে চার্ট (Pathway Chart)-কে নির্দেশ করে।
এই কৌশলগুলোর প্রভাব নিম্নরূপ:
১. কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ (প্রসেস চার্ট): এর মাধ্যমে কর্মী একটি কাজ করতে গিয়ে কোন কোন ধাপ বা পর্যায় অতিক্রম করে তা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। ফলে কাজের অপ্রয়োজনীয় ধাপ বা দীর্ঘসূত্রতা চিহ্নিত করে তা বাদ দেওয়া সম্ভব হয়।
২. চলার পথ অনুসরণ (পাথওয়ে চার্ট): ফ্লোর প্ল্যানে কর্মী কাজের প্রয়োজনে কীভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে তা সুতা বা রেখার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়। এর মাধ্যমে কর্মীর অপ্রয়োজনীয় দৌড়াদৌড়ি বা চলাচল পর্যবেক্ষণ করে কর্মক্ষেত্রের বিন্যাস এমনভাবে সাজানো যায় যাতে চলার দূরত্ব ও শারীরিক ক্লান্তি হ্রাস পায়।এসব কৌশলের সঠিক বাস্তবায়নের ফলে অপচয় রোধ হয় এবং কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং, উদ্দীপকের ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে বাস্তব ও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও