যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যপট-১: রতন সাহেব বাসায় ফেরার পর দেখলেন যে, তাঁর পকেটে রাখা মোবাইল ফোনটি নেই। তিনি ধারণা করলেন মোবাইল ফোনটি অফিসের টেবিলে রয়ে গেছে। দৃশ্যকল্প-২: মাহমুদ সাহেবের ধারণা প্রচুর পরিমাণ মিষ্টি খাওয়ার জন্য তাঁর ডায়াবেটিস সেরে গেছে।

  1. ক)

    প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর কোনটি?

    (1)
  2. খ)

    সব প্রকল্পকে বৈধ প্রকল্প বলা যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত দৃশ্যপট-১ এ রতন সাহেব প্রকল্প প্রণয়নে কোনো D লঙ্ঘন করেছেন কি? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যপট-২ এ মাহমুদ সাহেবের ধারণাটি কি প্রকল্পের শর্তের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর হলো 'প্রাথমিক বা সাময়িক ধারণা গঠন'।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো ঘটনা ব্যাখ্যার জন্য সাময়িকভাবে গঠিত সব ধারণাই কার্যকর বা যুক্তিযুক্ত হয় না। একটি প্রকল্পকে বৈধ হতে হলে তাকে সুনির্দিষ্ট, স্ববিরোধীহীন, যাচাইযোগ্য এবং প্রতিষ্ঠিত সত্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। যেসব প্রকল্প এসব শর্ত পূরণ করে না, সেগুলোকে বৈধ প্রকল্প বলা যায় না; বরং সেগুলো অবৈধ বা ভ্রান্ত প্রকল্প হিসেবে বাতিল হয়ে যায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত দৃশ্যপট-১ এ রতন সাহেব প্রকল্প প্রণয়নে কোনো শর্ত বা নিয়ম লঙ্ঘন করেননি।

    একটি বৈধ প্রকল্পের প্রধান শর্ত হলো—প্রকল্পটিকে সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত হতে হবে, এটি স্ববিরোধী হতে পারবে না এবং এর সত্যতা প্রমাণযোগ্য বা যাচাইযোগ্য হতে হবে।

    দৃশ্যপট-১ এ রতন সাহেবের মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি ধারণা করেন যে, মোবাইলটি অফিসের টেবিলে রয়ে গেছে। তাঁর এই ধারণাটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, বাস্তবসম্মত এবং এর কোনো স্ববিরোধিতা নেই। তাছাড়া অফিসে ফোন করে বা নিজে গিয়ে টেবিলটি অনুসন্ধান করলেই ধারণাটি সহজে যাচাই বা প্রমাণ করা সম্ভব। অতএব, রতন সাহেবের ধারণাটি একটি বৈধ প্রকল্পের সকল শর্ত পূরণ করেছে এবং তিনি কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করেননি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যপট-২ এ মাহমুদ সাহেবের ধারণাটি প্রকল্পের শর্তের সাথে আদৌ সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এটি একটি অবৈধ প্রকল্প।

    একটি বৈধ প্রকল্পের একটি অপরিহার্য শর্ত হলো—তা পূর্বে প্রতিষ্ঠিত সত্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা বা বৈজ্ঞানিক নিয়মের বিরোধী হতে পারবে না।

    চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতায় প্রতিষ্ঠিত সত্য হলো মিষ্টি বা চিনিজাতীয় খাবার ডায়াবেটিস বৃদ্ধি করে, তা ডায়াবেটিস নিরাময় করতে পারে না। মাহমুদ সাহেবের ধারণা যে 'প্রচুর পরিমাণ মিষ্টি খাওয়ার জন্য তাঁর ডায়াবেটিস সেরে গেছে', তা প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং স্ববিরোধী। যে প্রকল্প প্রতিষ্ঠিত সত্যের সরাসরি বিরোধিতা করে, তা কখনো বৈধ প্রকল্প হতে পারে না।

    অতএব, প্রতিষ্ঠিত সত্যের বিরোধী হওয়ায় মাহমুদ সাহেবের ধারণাটি প্রকল্পের শর্ত লঙ্ঘন করেছে এবং এটি একটি অবান্তর বা অবৈধ প্রকল্প।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন