বাংলা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
নিচের যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
8.1.
বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি রচনা করো।
8.2.
'শীতার্ত মানুষের দুঃসহ জীবন' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
৮.১. দিনলিপি রচনা:
বাংলা নববর্ষ উদযাপনের দিনলিপি
১৪ এপ্রিল, ২০২৩
রাত ১০:৩০ মিনিট
ঢাকা।
আজকের দিনটি ছিল বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই নতুন বছরের নতুন সূর্যকে স্বাগত জানাতে ঘুম থেকে উঠি। সকাল সকাল শুভ্র পাঞ্জাবি পরে পরিবারের সবার সাথে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিই। চারপাশের মানুষের উচ্ছ্বাস ও মিলনমেলা দেখে মন ভরে গেল। 'এসো হে বৈশাখ, এসো এসো' গানের সুরে পুরো পরিবেশ যেন এক অনন্য রূপ ধারণ করেছিল। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'-য় অংশ নিই। আবহমান বাংলার লোকসংস্কৃতির নানা প্রতিকৃতি, মুখোশ ও প্ল্যাকার্ডে শোভাযাত্রাটি ছিল অপরূপ। দুপুরে বন্ধুদের সাথে বৈশাখী মেলায় গিয়ে মাটির তৈরি তৈজসপত্র, বাঁশের বাঁশি ও নানা ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবার উপভোগ করি। দিনভর আনন্দ, আড্ডা আর বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির ছোঁয়ায় দিনটি অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে কেটে গেল। এই দিনটি আমাকে নতুন উদ্দীপনা ও দেশপ্রেমে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করল।
অথবা,
৮.২. প্রতিবেদন রচনা:
শীতার্ত মানুষের দুঃসহ জীবন
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম:
পৌষের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় উত্তরবঙ্গের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নদ-নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল এবং ছিন্নমূল খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। সেই সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চরাঞ্চল ও বস্তি ঘুরে দেখা গেছে, হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষের কাছে শীত নিবারণের মতো পর্যাপ্ত গরম কাপড় নেই। খড়কুটো জ্বালিয়ে কোনোমতে শীতের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। তীব্র ঠাণ্ডার কারণে দিনমজুর ও রিকশাচালকরা কাজে বের হতে পারছেন না, ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা চরম অর্থকষ্ট ও অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে দেখা দিয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যে পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এখনই উচিত শীতার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানো। অবিলম্বে পর্যাপ্ত কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ করা না হলে মানবিক বিপর্যয় আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও