যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
পদের ব্যাপ্যতা কী?
- খ)(2)
'পুত্র' কোন ধরনের পদ? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
চিত্র-১-এ কোন ধরনের যুক্তিবাক্যের নির্দেশ করে? ব্যাপ্যতার আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
চিত্র-২ এবং চিত্র-৩ এ যে যে যুক্তিবাক্য পাই, তাদের ব্যাপ্যতার নিয়মে তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো যুক্তিবাক্যে একটি পদ তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ বা পরিমাণের ব্যাপ্তি নিয়ে ব্যবহৃত হওয়া বা না হওয়াকে পদের ব্যাপ্যতা বলে। অর্থাৎ একটি পদ যখন তার বাচনিক অর্থের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তখন পদটি ব্যাপ্য হয়; আর আংশিক ব্যক্ত্যর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে পদটি অব্যাপ্য হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'পুত্র' হলো একটি সাপেক্ষ পদ (Relative term)।
যে পদের অর্থ অন্য কোনো পদের সাহায্য বা সম্পর্কের উল্লেখ ছাড়া পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায় না, তাকে সাপেক্ষ পদ বলে। 'পুত্র' পদটির অর্থ ও ধারণা পিতা বা মাতার সম্পর্কের সাথে সরাসরি জড়িত; পিতা বা মাতার ধারণা ব্যতিরেকে 'পুত্র' পদের কোনো স্বতন্ত্র সার্থকতা থাকে না। তাই পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর অর্থ নির্ভরশীল হওয়ায় 'পুত্র' একটি সাপেক্ষ বা সম্বন্ধসূচক পদ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বা 'A' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।
চিত্রে দেখা যায়, উদ্দেশ্য পদ (S) রেখাঙ্কিত ত্রিভুজ দ্বারা ব্যাপ্য হিসেবে এবং বিধেয় পদ (P) খালি ত্রিভুজ দ্বারা অব্যাপ্য হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে।
পদের ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুযায়ী, সার্বিক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ অব্যাপ্য হয়। সার্বিক সদর্থক (A) যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় বলে উদ্দেশ্য ব্যাপ্য হয়। পক্ষান্তরে, এর বিধেয় পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থে নয়, বরং আংশিক ব্যক্ত্যর্থে উদ্দেশ্যের ওপর আরোপিত হয় বলে বিধেয় অব্যাপ্য থেকে যায় (যেমন: "সকল মানুষ হয় মরণশীল"—এখানে 'মানুষ' ব্যাপ্য কিন্তু 'মরণশীল' অব্যাপ্য)। যেহেতু চিত্র-১ এ উদ্দেশ্য (S) ব্যাপ্য এবং বিধেয় (P) অব্যাপ্য নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি যুক্তিসঙ্গতভাবেই 'A' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-২ এ উদ্দেশ্য (S) অব্যাপ্য এবং বিধেয় (P) ব্যাপ্য, যা বিশেষ নঞর্থক বা 'O' যুক্তিবাক্য নির্দেশ করে। অপরদিকে চিত্র-৩ এ উদ্দেশ্য (S) ব্যাপ্য এবং বিধেয় (P) ব্যাপ্য, যা সার্বিক নঞর্থক বা 'E' যুক্তিবাক্য নির্দেশ করে। নিচে ব্যাপ্যতার নিয়মের আলোকে এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো:
১. উদ্দেশ্য পদের ব্যাপ্যতা: ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসারে সার্বিক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ব্যাপ্য কিন্তু বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য অব্যাপ্য। সেই অনুযায়ী সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য (E)-এর উদ্দেশ্য পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ জুড়ে প্রযোজ্য হওয়ায় তা ব্যাপ্য (চিত্র-৩)। পক্ষান্তরে, বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য (O)-এর উদ্দেশ্য পদটি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে বলে তা অব্যাপ্য (চিত্র-২)।
২. বিধেয় পদের ব্যাপ্যতা: নঞর্থক যুক্তিবাক্যের সাধারণ নিয়ম হলো—সকল নঞর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হয়। কারণ নঞর্থক যুক্তিবাক্যে বিধেয়ের সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থকে উদ্দেশ্য থেকে বর্জন বা অস্বীকার করা হয়। সেই হিসেবে 'E' এবং 'O' উভয় যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদই সম্পূর্ণরূপে অস্বীকৃত হওয়ার কারণে সর্বদা ব্যাপ্য থাকে (উভয় চিত্রে P রেখাঙ্কিত)।
৩. সামগ্রিক ব্যাপ্যতার তুলনা: 'E' যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য (দুটি পদই রেখাঙ্কিত)। অন্যদিকে 'O' যুক্তিবাক্যে কেবল বিধেয় পদটি ব্যাপ্য এবং উদ্দেশ্য পদটি অব্যাপ্য থাকে।
সুতরাং, গুণগত দিক থেকে উভয় বাক্য নঞর্থক হওয়ায় উভয়ের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হলেও পরিমাণগত পার্থক্যের কারণে চিত্র-৩ (E)-এর উদ্দেশ্য ব্যাপ্য এবং চিত্র-২ (O)-এর উদ্দেশ্য অব্যাপ্য থাকে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও