যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    Terminus' শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    জাত্যর্থ ও জাত্যর্থক পদ কি একই অর্থবোধক? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    ছক-৩ এ কোন ধরনের শব্দকে নির্দেশ করেছে? তা তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    ছক-১ ও ছক-২ পদের যে দুটি রূপকে নির্দেশ করে তা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    লাতিন শব্দ 'Terminus' (টার্মিনাস)-এর অর্থ হলো 'প্রান্ত' বা 'সীমা' (End বা Boundary)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    না, জাত্যর্থ ও জাত্যর্থক পদ একই অর্থবোধক নয়; এদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

    কোনো পদের সাধারণ ও আবশ্যিক গুণ বা গুণাবলিকে সেই পদের 'জাত্যর্থ' (Connotation) বলে। যেমন: 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ হলো 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি'।

    অন্যদিকে, যে পদ একই সাথে বস্তু বা ব্যক্তিসমূহকে (ব্যক্ত্যর্থ) নির্দেশ করে এবং তাদের মধ্যকার আবশ্যিক গুণকেও (জাত্যর্থ) প্রকাশ করে, তাকে 'জাত্যর্থক পদ' (Connotative term) বলে। যেমন: 'মানুষ' একটি জাত্যর্থক পদ, কারণ এটি সকল মানুষকে নির্দেশ করার পাশাপাশি তাদের মনুষ্যত্ব বা বুদ্ধিবৃত্তির গুণকেও নির্দেশ করে।

    সুতরাং, জাত্যর্থ হলো নিছক আবশ্যিক গুণ, আর জাত্যর্থক পদ হলো সেই গুণবিশিষ্ট মূল পদটি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছক-৩ এ যুক্তিবিদ্যার 'পদ-অযোগ্য শব্দ' (Acategorematic words)-কে নির্দেশ করেছে।

    যেসব শব্দ কখনো কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে নিজে নিজে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং অন্য কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়েও পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, সেগুলোকে পদ-অযোগ্য শব্দ বলে।

    উদ্দীপকের ছক-৩ এ প্রদত্ত শব্দগুলো হলো— 'ছি!', 'হায়!', 'আহা!', 'সাবাশ!', 'মরি! মরি!'। এগুলো ব্যাকরণগতভাবে বিস্ময়সূচক বা আবেগসূচক অব্যয়। এই শব্দগুলো কেবল মানুষের মনের তীব্র আকস্মিক আবেগ, আনন্দ, দুঃখ, বেদনা, ঘৃণা কিংবা বিস্ময় প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু যুক্তিবিদ্যার নিয়মানুসারে এরা কখনো কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য কিংবা বিধেয় হওয়ার যোগ্যতা রাখে না, এমনকি অন্য কোনো পদের সাহায্য নিয়েও কোনো যুক্তিবাক্যের প্রান্ত হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না। এ কারণে ছক-৩ এর শব্দগুলো পদ-অযোগ্য শব্দ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছক-১ এবং ছক-২ যুক্তিবিদ্যায় পদের গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের যে দুটি রূপকে নির্দেশ করে, তা হলো যথাক্রমে 'পদযোগ্য শব্দ' (Categorematic words) এবং 'সহ-পদযোগ্য শব্দ' (Syncategorematic words)। নিচে এ দুটি রূপ বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. ছক-১ (পদযোগ্য শব্দ):
    যেসব শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, সেগুলোকে পদযোগ্য শব্দ বলে। উদ্দীপকের ছক-১ এ প্রদর্শিত 'কলম', 'বই', 'মানুষ', 'চতুষ্পদ' শব্দগুলো হলো পদযোগ্য শব্দ। এগুলো স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্য গঠন করতে পারে। যেমন— 'মানুষ হয় মরণশীল'—এখানে 'মানুষ' এবং 'মরণশীল' উভয়ই কোনো বাহ্যিক সাহায্য ছাড়াই উদ্দেশ্য ও বিধেয় হয়েছে।

    ২. ছক-২ (সহ-পদযোগ্য শব্দ):
    যেসব শব্দ নিজে নিজে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে না, কিন্তু পদযোগ্য কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে সাহায্য করে, সেগুলোকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। ছক-২ এ 'পাখি ও মাছ', 'ফুল এবং ফল' উদাহরণে মূলত 'ও', 'এবং' জাতীয় সংযোজক অব্যয়কে নির্দেশ করা হয়েছে। এককভাবে 'ও' বা 'এবং' যুক্তিবাক্যের প্রান্ত হতে পারে না, কিন্তু পদযোগ্য শব্দের সাথে মিলে পদ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। যেমন— "পাখি ও মাছ হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী"—এখানে 'ও' শব্দটি 'পাখি' ও 'মাছ' শব্দের সাথে মিলে উদ্দেশ্য গঠনে সহায়তা করেছে।

    সুতরাং, ছক-১ এ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে পদ হতে সক্ষম 'পদযোগ্য শব্দ' এবং ছক-২ এ পদের সহযোগী হিসেবে ব্যবহৃত 'সহ-পদযোগ্য শব্দ'-এর বৈশিষ্ট্য চমৎকারভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন