যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি বর্তমানে একটি জটিল সমস্যা। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, দ্রব্যের সরবরাহ কমে গেলে মূল্য বৃদ্ধি পায়। আবার, দ্রব্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে মূল্য হ্রাস পায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, দ্রব্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ক)(1)
ব্যাহতার্থক পদ কী?
- খ)(2)
সকল শব্দকে পদ বলা যায় না কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে পদের কোন সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যতিক্রমের বিষয়টি তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নটির বিষয় মেটাডেটায় 'Civics and Good Governance' উল্লেখ থাকলেও এটি প্রকৃতপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক 'যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র' (Logic 1st Paper) বিষয়ের প্রশ্ন।
যে পদ কোনো বস্তুর এমন একটি গুণের অনুপস্থিতি নির্দেশ করে যা স্বাভাবিক নিয়মে তার মধ্যে বিদ্যমান থাকার কথা, তাকে ব্যাহতার্থক পদ (Privative term) বলে। যেমন: 'অন্ধ', 'বধির' ইত্যাদি।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নটির বিষয় মেটাডেটায় 'Civics and Good Governance' উল্লেখ থাকলেও এটি প্রকৃতপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক 'যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র' (Logic 1st Paper) বিষয়ের প্রশ্ন।
যুক্তিবিদ্যায় যেসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, কেবল তাদেরকেই 'পদ' বলা হয়। পক্ষান্তরে, অর্থপূর্ণ যেকোনো ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিই শব্দ। যুক্তিবিদ্যায় শব্দ তিন প্রকার— পদযোগ্য, সহ-পদযোগ্য এবং পদ-অযোগ্য শব্দ। এর মধ্যে কেবল পদযোগ্য শব্দই স্বাধীনভাবে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে; সহ-পদযোগ্য এবং পদ-অযোগ্য শব্দ একা পদ হতে পারে না। তাই সব পদই শব্দ হলেও সকল শব্দ পদ হতে পারে না।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নটির বিষয় মেটাডেটায় 'Civics and Good Governance' উল্লেখ থাকলেও এটি প্রকৃতপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক 'যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র' (Logic 1st Paper) বিষয়ের প্রশ্ন।
উদ্দীপকে পদের 'ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্কের' প্রতিফলন ঘটেছে।
যুক্তিবিদ্যায় কোনো পদের পরিমাণের বা সংখ্যার দিককে বলা হয় ব্যক্ত্যর্থ এবং আবশ্যিক গুণের দিককে বলা হয় জাত্যর্থ। পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে একটি বিপরীতমুখী বা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১. ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে,
২. ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যর্থ বাড়ে,
৩. জাত্যর্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে, এবং
৪. জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে।উদ্দীপকে উল্লেখিত হয়েছে— দ্রব্যের সরবরাহ কমলে মূল্য বৃদ্ধি পায় এবং সরবরাহ বাড়লে মূল্য হ্রাস পায়। এখানে সরবরাহ ও মূল্যের এই বিপরীত সম্পর্কটি যুক্তিবিদ্যার ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং, উদ্দীপকে পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী পরিবর্তনের নিয়মের প্রতিফলন দেখা যায়।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নটির বিষয় মেটাডেটায় 'Civics and Good Governance' উল্লেখ থাকলেও এটি প্রকৃতপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক 'যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র' (Logic 1st Paper) বিষয়ের প্রশ্ন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যতিক্রমের বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় 'ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী পরিবর্তনের নিয়মের সীমাবদ্ধতা বা ব্যত্যয়'-কে নির্দেশ করে।
যুক্তিবিদ্যায় ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মটি সর্বত্র বা পরমভাবে সত্য নয়। এর বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ও ব্যতিক্রম রয়েছে:
১. এই নিয়মটি কেবল তখনই প্রযোজ্য হয় যখন পদগুলোকে জাতি ও উপজাতির সম্পর্কের ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করা হয়।
২. ব্যক্ত্যর্থ বা জাত্যর্থের পরিবর্তন কোনো গাণিতিক বা সমানুপাতিক হারে ঘটে না।
৩. বাস্তব ক্ষেত্রে ব্যক্ত্যর্থ বা সংখ্যার পরিবর্তন না হয়েও কোনো কোনো গুণের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৪. কোনো একক ব্যক্তি বা বিশিষ্ট পদের ক্ষেত্রে কিংবা গুণের দিকটি স্থির রেখে ব্যক্ত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটালে এই নিয়ম কার্যকর হয় না।উদ্দীপকে যেমন সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও অন্য কোনো কারণে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি যুক্তিবিদ্যায়ও ব্যক্ত্যর্থ স্থির থাকা সত্ত্বেও নতুন কোনো বৈশিষ্ট্য যুক্ত হলে জাত্যর্থ বাড়তে পারে, যা নিয়মের ব্যতিক্রম তৈরি করে। সুতরাং, উদ্দীপকের বক্তব্যটি ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা ও ব্যতিক্রমকে যথাযথভাবে তুলে ধরে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও