বাংলা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
8.
(ক) বৃক্ষমেলা দেখার অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ।অথবা,(খ) বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার ওপর একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
(ক) বৃক্ষমেলা দেখার অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি:
১০ জুলাই, ২০২৪
রাত ১০:৩০ মিনিট
আজকের দিনটি ছিল চমৎকার ও সতেজ অনুভূতির এক অনন্য দিন। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিভাগীয় বৃক্ষমেলা দেখতে গিয়েছিলাম। মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই চারপাশের সবুজের সমারোহ এবং মাটির সোঁদা গন্ধ মনকে শান্ত করে দিল।
মেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নার্সারি তাদের বৈচিত্র্যময় চারার পসরা সাজিয়ে বসেছে। ফলদ, বনজ, ওষধি এবং শোভাবর্ধনকারী গাছ ছাড়াও নানা বিরল প্রজাতির ক্যাকটাস ও অর্কিড দেখতে পেলাম। বিশেষ করে ড্রাগন ফল, আম্রপালি ও বিভিন্ন বিদেশি ফলের কলম চারা দেখে খুব ভালো লাগল। সেখানে পরিবেশ সংরক্ষণে গাছের গুরুত্ব নিয়ে সুন্দর সচেতনতামূলক প্রদর্শনীও চলছিল। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গাছ কিনছে দেখে বোঝা গেল প্রকৃতিপ্রেম আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে। আমি নিজেও বাসার বারান্দায় লাগানোর জন্য একটি গন্ধরাজ ও দুটি পাতাবাহার গাছের চারা কিনেছি। পরিবেশ সুরক্ষায় আমাদের সবারই আরও বেশি বৃক্ষরোপণ করা উচিত—এই উপলব্ধি নিয়ে তৃপ্ত মনে বাড়ি ফিরলাম।
অথবা,
(খ) বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক প্রতিবেদন:
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা: কারণ ও প্রতিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
তারিখ: ১৫ জুলাই, ২০২৪
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমানে এক নিত্যনৈমিত্তিক ও ভয়াবহ জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এবং চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করছে। একটি দুর্ঘটনা কেবল একটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, বরং পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়।
দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ:
১. চালকদের অদক্ষতা, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালনা এবং ট্রাফিক আইনের অজ্ঞতা।
২. দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো এবং বিপজ্জনকভাবে ওভারটেকিং করার প্রতিযোগিতা।
৩. ত্রুটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের অবাধ চলাচল।
৪. সড়ক ও মহাসড়কের বেহাল দশা এবং অপরিকল্পিত বাঁক ও বিভাজক না থাকা।
৫. পথচারীদের অসচেতনতা ও নিয়ম না মেনে রাস্তা পারাপার।
৬. হাইওয়ে পুলিশের অপর্যাপ্ত নজরদারি ও আইনের কঠোর প্রয়োগের অভাব।
প্রতিকারের সুপারিশসমূহ:
১. লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া কঠোর ও স্বচ্ছ করা এবং চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
২. সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৩. ত্রুটিপূর্ণ ও অননুমোদিত যান চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করা।
৪. মহাসড়কগুলোকে চার লেনে উন্নীত করা এবং পথচারীদের জন্য ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা।
৫. জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম ও পাঠ্যসূচিতে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়গুলো ব্যাপকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ একান্ত প্রয়োজন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও