গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ড্রাফটিং কী?

    (1)
  2. খ)

    পোশাকের ক্ষেত্রে ডিজাইন তৈরিতে রেখার গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'A' ও 'B' অংশটি কী নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    শিল্প সৃষ্টিতে 'C' এর অনুসরণ অপরিহার্য। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দেহের নির্দিষ্ট মাপ অনুযায়ী কাগজের ওপর পোশাকের বিভিন্ন অংশের নকশা বা প্যাটার্ন নিখুঁতভাবে অঙ্কন করাকে ড্রাফটিং বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পোশাক তৈরিতে ও ডিজাইনে রেখার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেখার মাধ্যমেই পোশাকের আকৃতি বা রূপ তৈরি হয় এবং দর্শকের দৃষ্টি পরিচালিত হয়। পোশাকের ডিজাইনে উলম্ব রেখা ব্যক্তিকে লম্বা ও ছিপছিপে দেখায়, অনুভূমিক রেখা চওড়া ও খাটো দেখায় এবং বক্ররেখা বা কোণাকুণি রেখা পোশাকে কমনীয়তা ও গতিশীলতা আনে। সুতরাং, শারীরিক ত্রুটি ঢেকে ব্যক্তির সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ফুটিয়ে তুলতে পোশাকের ডিজাইনে রেখার সঠিক প্রয়োগ অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছকে 'C' দ্বারা 'শিল্পের নীতি'কে নির্দেশ করা হয়েছে। শিল্পের প্রধান নীতি পাঁচটি—সামঞ্জস্য/অনুপাত, সংগতি, ভারসাম্য, ছন্দ বা মিল এবং প্রাধান্য। উদ্দীপকে সংগতি, মিল ও প্রাধান্য দেওয়া আছে। অতএব, 'A' ও 'B' যথাক্রমে 'অনুপাত' (বা সামঞ্জস্য) এবং 'ভারসাম্য'কে নির্দেশ করে।

    ১. অনুপাত (A): ডিজাইনের বিভিন্ন অংশের মধ্যে আকার, ক্ষেত্রফল ও পরিমাণের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে অনুপাত বলে। পোশাক বা শিল্পকর্মে প্রতিটি অংশ একে অপরের সাথে আনুপাতিকভাবে মানানসই হতে হয়।

    ২. ভারসাম্য (B): ভারসাম্য হলো ডিজাইনের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ওজনের সমতা বিধান করা। এটি সমমিত (আনুষ্ঠানিক) বা অসমমিত (অনানুষ্ঠানিক) হতে পারে। কোনো নকশায় ভারসাম্য বজায় থাকলে তা দর্শকের চোখে স্থায়িত্ব ও প্রশান্তি এনে দেয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'C' অংশটি হলো 'শিল্পের নীতিসমূহ'। যেকোনো ধরনের শিল্প বা পোশাকের নকশা সৃষ্টিতে শিল্পের নীতি অনুসরণ করা অপরিহার্য—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

    শিল্পের উপাদানগুলো (রেখা, আকার, বর্ণ, জমিন ইত্যাদি) সঠিকভাবে ব্যবহার করে কোনো সৃষ্টিকর্মকে আকর্ষণীয় ও অর্থপূর্ণ করে তুলতে শিল্পের নীতিগুলোর প্রয়োগ করতে হয়। শিল্পের প্রধান পাঁচটি নীতি হলো:
    ১. অনুপাত: এটি যেকোনো শিল্পকর্মের প্রতিটি অংশের মধ্যে পরিমাপ ও আকারের সঠিক মেলবন্ধন তৈরি করে।
    ২. সংগতি: বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে এমন একটি ঐক্য গড়ে তোলে যা সামগ্রিক সৃষ্টিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ রূপ দেয়।
    ৩. ভারসাম্য: শিল্পকর্মের ওজন ও বিন্যাসকে সুষম করে একটি স্থিতিশীল ও সুশৃঙ্খল ভাব আনে।
    ৪. ছন্দ বা মিল: দৃষ্টির একটি ছন্দময় ও মসৃণ প্রবাহ সৃষ্টি করে, যা এক উপাদান থেকে অন্য উপাদানে চোখকে আকর্ষণীয়ভাবে নিয়ে যায়।
    ৫. প্রাধান্য: কোনো শিল্পকর্মের কেন্দ্রবিন্দু বা বিশেষ আকর্ষণীয় অংশ নির্ধারণ করে দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

    এই নীতিগুলো ছাড়া কোনো সৃষ্টি শিল্পোত্তীর্ণ হতে পারে না। গৃহসজ্জা, পোশাক ডিজাইন কিংবা যেকোনো দৃশ্যশিল্পে নীতিগুলোর ব্যত্যয় ঘটলে কাজটি দৃষ্টিকটু ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। তাই শিল্প সৃষ্টিতে 'C' অর্থাৎ শিল্পের নীতিসমূহের অনুসরণ একান্ত অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন