গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
ঘটনা-১ : শায়লা তার বাসায় খাবার রান্না করলে তার খাবার খেয়ে তার মা তাকে বলেন, রন্ধনকালীন কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
ঘটনা-২ : রনি বাজার থেকে শুঁটকি, মাংস, আলু, খেজুর, কিসমিস, মরিচ, দুধ ইত্যাদি কিনে আনে। কিন্তু সে সঠিকভাবে খাদ্য সংরক্ষণ করতে না পারায় কিছু কিছু খাদ্য নষ্ট ও পচে গেছে। তাই সে, খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানার জন্য বইয়ের খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি দেখে।
- ক)(1)
ইস্ট কী?
- খ)(2)
পুষ্টিমান বজায় রেখে কীভাবে মাংস রান্না করতে হয়- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ শায়লার মার লাইনটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রনির সঠিক খাদ্য সংরক্ষণ বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইস্ট হলো এক প্রকার এককোষী মৃতজীবী ছত্রাক, যা সন্ধান বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরিতে (যেমন- পাউরুটি তৈরিতে) ব্যবহৃত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পুষ্টিমান বজায় রেখে মাংস রান্নার জন্য মাংস সবসময় কাটার পূর্বে পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়, যাতে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও খনিজ নষ্ট না হয়। মাংস বেশি তাপে অতিরিক্ত সময় ধরে ভাজা বা সেদ্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায় এবং তা সহজে পরিপাক হতে চায় না। অল্প পানি দিয়ে পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে মাঝারি আঁচে রান্না করলে মাংসের পুষ্টি উপাদান ও আর্দ্রতা বজায় থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ শায়লার মায়ের উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ, কারণ অসতর্ক রন্ধন পদ্ধতির কারণে খাদ্যের স্বাদ, গন্ধ এবং পুষ্টিমান অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
রন্ধনকালে যে সতর্কতাগুলো অবলম্বন করা প্রয়োজন:
১. শাকসবজি ও ফলমূল কাটার পর না ধুয়ে আগেই ধুয়ে নেওয়া।
২. রান্নার সময় অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করা এবং ভাতের মাড় বা তরকারির ঝোল ফেলে না দিয়ে তা গ্রহণ করা।
৩. ঢেকে রান্না করা, যেন ভিটামিন বাষ্পীভূত হয়ে উড়ে না যায়।
৪. অতিরিক্ত তাপে দীর্ঘক্ষণ রান্না পরিহার করা, যেন পুষ্টি উপাদান ধ্বংস না হয়।
এসব সতর্কতা মেনে চললে খাদ্যের পুষ্টি উপাদান অক্ষুণ্ণ থাকে। তাই শায়লার মায়ের পরামর্শ সময়োপযোগী ও সঠিক ছিল। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রনির কেনা বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে বইয়ের আলোচিত খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ প্রয়োগ করা যায়:
১. শুষ্ককরণ বা পানিশূন্যকরণ (Drying): শুঁটকি, আলু, খেজুর, কিশমিশ এবং মরিচ রোদে বা বিশেষ ড্রায়ারে শুকিয়ে পানির মাত্রা কমিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
২. হিমায়ন ও রেফ্রিজারেশন (Refrigeration/Freezing): কাঁচা মাংস ও তরল দুধ রেফ্রিজারেটরে নিম্ন তাপমাত্রায় রেখে অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে সংরক্ষণ করা যায়। মাংস ফ্রিজারে (Freezer) বরফ জমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে রাখা যায়।
৩. পাস্তুরায়ন (Pasteurisation): দুধ ফুটিয়ে বা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট সময় উত্তপ্ত করে দ্রুত ঠান্ডা করার মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে সংরক্ষণ করা সম্ভব।
৪. রাসায়নিক ও প্রাকৃতিক সংরক্ষক: চিনি, লবণ বা তেলের দ্রবণ ব্যবহার করে মরিচ বা বিভিন্ন খাবার প্রক্রিয়াজাত করা যায়।
রনি এই সঠিক পদ্ধতিগুলো খাদ্যের ধরন অনুযায়ী নির্বাচন করলে খাদ্য নষ্ট হওয়া বা পচে যাওয়া সহজেই প্রতিরোধ করতে পারত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও