‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

শিশির সাহেব রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মেনে চলেন ও নিয়মিত কর প্রদান করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, অধিকার ভোগ ও কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই নাগরিক জীবন সংহত ও উন্নত হয়। অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক।

  1. ক)

    জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণা করেন কখন?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইনটি ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    শিশির সাহেবের কর্মকাণ্ড পঠিত কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করে আলোচনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপাকের শেষোক্ত লাইনের সাথে তুমি কি একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়। এ আইনের আওতায় প্রতিটি নাগরিকের তথ্য জানার আইনি অধিকার স্বীকৃত হয়েছে এবং তথ্য কমিশন গঠনের মাধ্যমে তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজতর করা হয়েছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিশির সাহেবের কর্মকাণ্ডে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের নাগরিকের 'কর্তব্য পালন' ও 'সুনাগরিকের গুণাবলি'র দিকটি ইঙ্গিত করে।

    রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কিছু মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। এর মধ্যে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন এবং নিয়মিত কর প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইন মেনে চলা সমাজ ও রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে এবং নিয়মিত কর প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সচল থাকে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, শিশির সাহেব রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মান্য করেন এবং নিয়মিত কর প্রদান করেন। তাঁর এই আচরণ সুনাগরিকের আইনি ও অর্থনৈতিক কর্তব্যের বহিঃপ্রকাশ, যা রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকের শেষোক্ত লাইন 'অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক'-এর সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

    অধিকার ও কর্তব্য মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। একজনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অন্যের কর্তব্য পালন অপরিহার্য। কর্তব্য ব্যতিরেকে অধিকার ভোগ করা যায় না, আবার অধিকারহীন মানুষকে কর্তব্য পালনে বাধ্য করা যায় না।

    প্রথমত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে একজন ব্যক্তির অধিকার অন্য ব্যক্তির কর্তব্য দ্বারা সংরক্ষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, আমার নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার তখনই নিশ্চিত হয়, যখন অন্য সবাই আমার জীবনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কর্তব্য পালন করে। দ্বিতীয়ত, নাগরিক হিসেবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছ থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার মতো নানা সুযোগ-সুবিধা বা অধিকার পাওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, কর দেওয়া ও ভোটাধিকার প্রয়োগের মতো কর্তব্য পালন করতে হয়।

    অতএব, অধিকার ও কর্তব্য একটি অপরটির ওপর নির্ভরশীল এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি উন্নত ও সংহত নাগরিক জীবন গড়ে ওঠে। তাই বলা যায়, অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের পরিপূরক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন