গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

সুমন একাদশ শ্রেণির ১ম সাময়িক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। একদিন সে কয়েকজন সহপাঠিকে বাথরুমে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতে দেখে। ইদানিং তার পড়াশোনায় বেশ অবনতি হচ্ছে এবং সে প্রায়ই মা-বাবার সাথে উদ্ধত আচরণ করে।

  1. ক)

    মানসিক স্বাস্থ্য কী?

    (1)
  2. খ)

    "তারুণ্য মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়"— ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সুমনের সাথে মা-বাবার সম্পর্কের অবনতির কারণ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    সুমনের বয়সী ছেলেমেয়েদের উল্লিখিত সমস্যা হতে পরিত্রাণের উপায় বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানসিক স্বাস্থ্য হলো একজন ব্যক্তির মানসিক, আবেগীয় ও আচরণগত সুস্থতার অবস্থা, যার মাধ্যমে সে দৈনন্দিন জীবনের চাপ মোকাবিলা করতে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তারুণ্য হলো শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্কতায় পদার্পণের এক রূপান্তরকালীন সময়। এ সময় শারীরিক, মানসিক, আবেগিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটে এবং ভবিষ্যতের জীবনের লক্ষ্য, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিত্বের ভিত্তি রচিত হয়। এ বয়সের সঠিক দিকনির্দেশনা ও ইতিবাচক অভ্যাস ভবিষ্যতের সুস্থ ও সফল জীবনের পথ উন্মোচন করে বলে তারুণ্য মানবজীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সুমনের সাথে মা-বাবার সম্পর্কের অবনতির কারণ হলো খারাপ সঙ্গের প্রভাব ও মাদকাসক্তির সম্ভাবনা।

    সুমন ভালো ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুদের নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করতে দেখেছে এবং পরবর্তীতে তার পড়াশোনায় অবনতি ও মা-বাবার সাথে উদ্ধত আচরণের প্রকাশ ঘটেছে। বয়ঃসন্ধিকালে কৌতূহলবশত বা বন্ধুদের চাপে কিশোর-তরুণরা প্রায়ই মাদকের সংস্পর্শে আসে। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব ব্যক্তির স্নায়ুতন্ত্র ও মানসিক ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটায়, যার ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়, আচরণে আগ্রাসী ভাব আসে এবং পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়। ফলে সুমনের সঙ্গে তার মা-বাবার সম্পর্কের দূরত্ব ও অবনতি ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুমনের বয়সী ছেলেমেয়েদের মাদকাসক্তি ও বিপথগামিতার মতো সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য সমন্বিত পারিবারিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

    প্রথমত, পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মা-বাবাকে সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, তাদের আবেগ ও মানসিক পরিবর্তনগুলো বুঝতে হবে এবং খোলামেলা আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। অতিরিক্ত চাপ বা কড়া শাসনের বদলে ইতিবাচক দিকনির্দেশনা দিতে হবে।

    দ্বিতীয়ত, সন্তানের বন্ধু নির্বাচন ও সঙ্গীদের গতিবিধির ওপর সতর্ক নজর রাখতে হবে, যাতে তারা অসৎ সঙ্গ থেকে দূরে থাকে। বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষা এবং নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা থাকা জরুরি।

    তৃতীয়ত, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, শিল্প-সাহিত্য, বিতর্ক এবং বিভিন্ন গঠনমূলক সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত রাখতে হবে। এ ধরনের সুস্থ বিনোদন তাদের মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে সামগ্রিক পরিত্রাণ নিশ্চিত করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন