ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন

মুদ্রার ক্রমবিকাশের ধারা:ধাপ-১—ফলমূল আহরণ ও দ্রব্য বিনিময়।ধাপ-২—ঝিনুক, স্বর্ণ, রৌপ্য, কড়ির মাধ্যমে বিনিময়।ধাপ-৩—মুদ্রার সৃষ্টি ও ব্যবহার।ধাপ-৪-ব্যাংক ব্যবস্থার প্রবর্তন।

  1. ক)

    মুরাবাহা কী?

    (1)
  2. খ)

    ধাতব মুদ্রার ব্যবহার বেশিদিন স্থায়িত্ব লাভ করতে পারেনি কেন? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে চতুর্থ ধাপটির সাথে তৃতীয় ধাপটির সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    মুদ্রার ব্যবহার কীভাবে দ্রব্য বিনিময়কে সহজ ও সাবলীল করেছে? মুদ্রার কার্যাবলির আলোকে বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মুরাবাহা হলো ইসলামী ব্যাংকিংয়ের একটি বিনিয়োগ পদ্ধতি, যেখানে ব্যাংক গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কিনে ক্রয়মূল্যের সাথে নির্দিষ্ট মুনাফা যোগ করে গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করে।

  2. খ)

    ধাতব মুদ্রা বেশিদিন স্থায়িত্ব লাভ করতে পারেনি, কারণ:

    ১. ধাতব মুদ্রা ভারী হওয়ায় বেশি পরিমাণ বহন ও লেনদেন করা কঠিন ছিল।
    ২. ব্যবহারের ফলে ক্ষয় হয়ে ওজন ও মূল্য কমে যেত।
    ৩. ধাতুর মান ও ওজন যাচাই করা কঠিন ছিল এবং জাল মুদ্রার সুযোগ ছিল।
    ৪. ধাতুর সরবরাহ সীমিত হওয়ায় অর্থনীতির প্রসারের সাথে তাল মেলানো যেত না।

  3. গ)

    উদ্দীপকে তৃতীয় ধাপ হলো মুদ্রার সৃষ্টি ও ব্যবহার এবং চতুর্থ ধাপ হলো ব্যাংক ব্যবস্থার প্রবর্তন। এই দুই ধাপের সম্পর্ক নিবিড়।

    মুদ্রা ব্যবহারের ফলে মানুষের হাতে সঞ্চিত অর্থ জমতে থাকে। সেই অর্থ নিরাপদে রাখা ও লাভজনকভাবে ব্যবহারের প্রয়োজন থেকে ব্যাংক ব্যবস্থার জন্ম। ব্যাংক মুদ্রা আমানত হিসেবে গ্রহণ করে এবং ঋণ হিসেবে প্রদান করে। আবার ব্যাংক চেক, ড্রাফটের মতো ব্যাংক-মুদ্রা সৃষ্টি করে মুদ্রার ব্যবহারকে আরও সহজ করে। অর্থাৎ মুদ্রার প্রচলন ব্যাংকের ভিত্তি এবং ব্যাংক মুদ্রার ব্যবহারকে বিস্তৃত করেছে।

  4. ঘ)

    মুদ্রা চালু হওয়ার আগে বিনিময় প্রথায় প্রয়োজনের অভিন্ন মিল, মূল্য নির্ধারণ, বিভাজন ও সঞ্চয়ের মতো নানা সমস্যা ছিল। মুদ্রা তার কার্যাবলির মাধ্যমে এই সমস্যাগুলো সমাধান করেছে।

    ১. বিনিময়ের মাধ্যম: মুদ্রা সর্বজনগ্রাহ্য হওয়ায় যে কেউ মুদ্রা দিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে। প্রয়োজনের মিলের সমস্যা আর থাকে না।
    ২. মূল্যের পরিমাপক: সব পণ্য ও সেবার মূল্য একই এককে প্রকাশ করা যায়, ফলে দাম নির্ধারণ ও তুলনা সহজ হয়।
    ৩. মূল্য সঞ্চয়ের বাহন: মুদ্রা জমিয়ে রেখে ভবিষ্যতে ব্যবহার করা যায়, যা দ্রব্য সঞ্চয়ের তুলনায় সহজ।
    ৪. ঋণ পরিশোধের মান ও বিভাজ্যতা: মুদ্রায় ঋণ ও দেনা সহজে পরিশোধ করা যায় এবং ছোট অঙ্কে ভাগ করে লেনদেন করা যায়।

    সুতরাং, মুদ্রার এসব কার্যাবলির কারণে দ্রব্য বিনিময় সহজ ও সাবলীল হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন