জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

একই পরিবারের দুই ভাই অসুস্থ। বড় ভাইয়ের অনেক জ্বর এবং রক্তে প্লেটিলেট ভীষণ হ্রাস পেয়েছে। ছোট ভাই ক্রমাগত বমি করছে এবং চাল ধোয়া পানির মত মল ত্যাগ করেছে।

  1. ক)

    ধানের ব্লাইট রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম লেখ।

    (1)
  2. খ)

    সাইজোগনি বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    বড় ভাই যে রোগে আক্রান্ত তা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে লেখ।

    (3)
  4. ঘ)

    দুই ভাইয়ের রোগের জীবাণুর মধ্যে পার্থক্যগুলো লেখ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ধানের ব্লাইট রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Xanthomonas oryzae।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ম্যালেরিয়া পরজীবী Plasmodium-এর মানবদেহে (যকৃতকোষ ও লোহিত রক্তকণিকায়) সংঘটিত অযৌন জনন প্রক্রিয়াকে সাইজোগনি (Schizogony) বলে। এ প্রক্রিয়ায় বহুবিভাজনের মাধ্যমে সাইজন্ট থেকে ক্রমান্বয়ে মেরোজয়েট সৃষ্টি হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে তীব্র জ্বর এবং রক্তে প্লেটিলেট হ্রাস পাওয়ার লক্ষণ থেকে স্পষ্ট যে বড় ভাই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যার বাহক হলো এডিস মশা (Aedes aegypti)। ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

    ১. এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা: বাড়ির আশপাশে, ফুলের টব, টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র বা ডাবের খোসায় যেন পরিষ্কার পানি জমে না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জমে থাকা পানি তিন দিনের মধ্যে ফেলে দিতে হবে।
    ২. মশার কামড় থেকে সুরক্ষা: দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া শরীর সম্পূর্ণ ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরিধান এবং প্রয়োজনে মশানিরোধক ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করা উচিত।
    ৩. কীটনাশক প্রয়োগ: মশা নিধনে কীটনাশক বা অ্যারোসল স্প্রে এবং ফগিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
    ৪. সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এবং সামাজিকভাবে এডিস মশার বিস্তার রোধে জনসচেতনতা তৈরি করা জরুরি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বড় ভাইয়ের রোগটি হলো ডেঙ্গু (জীবাণু: ডেঙ্গু ভাইরাস বা Flavivirus) এবং ছোট ভাইয়ের রোগটি হলো কলেরা (জীবাণু: Vibrio cholerae নামক ব্যাকটেরিয়া)। নিচে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যকার পার্থক্য ছক আকারে তুলে ধরা হলো:

    বৈশিষ্ট্যবড় ভাইয়ের রোগের জীবাণু (ভাইরাস)ছোট ভাইয়ের রোগের জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া)
    ১. প্রকৃতিভাইরাস অকোষীয় ও জীব-জড়ের মধ্যবর্তী অবস্থা।ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী এককোষী অণুজীব।
    ২. কোষ প্রাচীরকোষ প্রাচীর থাকে না; প্রোটিন নির্মিত ক্যাপসিড থাকে।পেপটিডোগ্লাইকান নির্মিত সুনির্দিষ্ট কোষ প্রাচীর থাকে।
    ৩. নিউক্লিক অ্যাসিডডিএনএ অথবা আরএনএ যেকোনো এক ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে (ডেঙ্গুতে RNA)।একই সাথে ডিএনএ ও আরএনএ উভয়ই থাকে।
    ৪. বিপাকীয় এনজাইমস্বাধীন কোনো বিপাকীয় এনজাইম বা অঙ্গাণু থাকে না।সাইটোপ্লাজমীয় উপাদান ও প্রয়োজনীয় বিপাকীয় এনজাইম থাকে।
    ৫. বংশবৃদ্ধিপোষক কোষ ছাড়া স্বাধীনভাবে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।অনুকূল পরিবেশে পোষক কোষের বাইরেও স্বাধীনভাবে বংশবৃদ্ধি (দ্বিভাজন) করতে পারে।
    ৬. অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবঅ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা ধ্বংস হয় না।অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি সংবেদনশীল এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন