কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

নিচের ছকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

  1. ক)

    অনুর্বর ডিম কী?

    (1)
  2. খ)

    কবুতর পালনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ছকের 'B' চিহ্নিত পালন পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছকের ' এবং ' চিহ্নিত পদ্ধতি দুইটির পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্ন (ঘ)-তে মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে 'A' এবং 'C' বাদ পড়েছে। তাই 'A' (মুক্ত পালন পদ্ধতি) এবং 'C' (আবদ্ধ পালন পদ্ধতি)-এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    যে ডিম মোরগ ও মুরগির মিলনের ফলে উৎপন্ন হয় না অর্থাৎ যাতে শুক্রাণু দ্বারা ডিম্বাণু নিষিক্ত হয় না এবং তা দিলে বাচ্চা ফোটে না, তাকে অনুর্বর ডিম (বা খাবার ডিম) বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্ন (ঘ)-তে মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে 'A' এবং 'C' বাদ পড়েছে। তাই 'A' (মুক্ত পালন পদ্ধতি) এবং 'C' (আবদ্ধ পালন পদ্ধতি)-এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    কবুতর পালনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিম্নরূপ:
    ১. কম খরচ ও স্বল্প পুঁজি: কবুতরের জন্য আলাদা বড় কোনো জায়গার প্রয়োজন হয় না এবং এরা সাধারণত নিজেরাই বাইরে থেকে খাবার সংগ্রহ করে খায়। ফলে খুব কম পুঁজিতে এদের লালন-পালন করা যায়।
    ২. দ্রুত বংশবৃদ্ধি ও মাংস উৎপাদন: কবুতর প্রতি মাসে গড়ে এক জোড়া বাচ্চা দেয় এবং বাচ্চার মাংস অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
    ৩. কর্মসংস্থান ও বাড়তি আয়: স্বল্প সময়ে ও সহজে কবুতর পালন করে বেকার যুবক ও গ্রামীণ নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারে এবং পরিবারে বাড়তি আয়ের সংস্থান করতে পারে।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্ন (ঘ)-তে মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে 'A' এবং 'C' বাদ পড়েছে। তাই 'A' (মুক্ত পালন পদ্ধতি) এবং 'C' (আবদ্ধ পালন পদ্ধতি)-এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    ছকের 'B' চিহ্নিত পালন পদ্ধতিটি হলো মুরগির 'অর্ধ-আবদ্ধ পালন পদ্ধতি' (Semi-intensive system)।

    এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
    ১. আবাসন ও বিচরণ ক্ষেত্র: এই পদ্ধতিতে মুরগির জন্য একটি স্থায়ী ঘর থাকে এবং ঘরের চারদিকে তারের জাল দিয়ে ঘেরা নির্দিষ্ট খোলা জায়গা বা চত্বর (Run) থাকে।
    ২. বিচরণের স্বাধীনতা: দিনের বেলা মুরগি তারের জালে ঘেরা খোলা স্থানে স্বাধীনভাবে চরে বেড়ায় এবং প্রাকৃতিক খাবার (ঘাস, পোকামাকড় ইত্যাদি) খায়। রাতের বেলা কিংবা ঝড়-বৃষ্টির সময় এরা ঘরে আশ্রয় নেয়।
    ৩. সম্পূরক খাদ্য ও যত্ন: শুধু প্রাকৃতিক খাদ্যের ওপর নির্ভর না করে মুরগির বৃদ্ধি ও ডিম উৎপাদনের জন্য ঘরে সুষম সম্পূরক খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হয়।
    ৪ উপযোগিতা: এই পদ্ধতি মুক্ত পদ্ধতির চেয়ে অধিক নিরাপদ (বন্য প্রাণী বা চোরের উপদ্রব কম থাকে) এবং সম্পূর্ণ আবদ্ধ পদ্ধতির চেয়ে কম ব্যয়বহুল।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্ন (ঘ)-তে মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে 'A' এবং 'C' বাদ পড়েছে। তাই 'A' (মুক্ত পালন পদ্ধতি) এবং 'C' (আবদ্ধ পালন পদ্ধতি)-এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    [মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধন: প্রশ্নটিতে 'A' এবং 'C' চিহ্নিত পদ্ধতির পার্থক্য চাওয়া হয়েছে ধরে উত্তর প্রদান করা হলো।]

    উদ্দীপকের 'A' হলো মুক্ত পালন পদ্ধতি এবং 'C' হলো আবদ্ধ পালন পদ্ধতি। নিচে এই দুটি পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. বিচরণের স্থান:

    • মুক্ত পালন পদ্ধতি (A): মুরগি সারাদিন উন্মুক্ত স্থানে বা মাঠ-ঘাটে অবাধে ঘুরে বেড়ায়। কেবল রাতে সামান্য আশ্রয়ে থাকে।
    • আবদ্ধ পালন পদ্ধতি (C): মুরগিকে সবসময় একটি নির্দিষ্ট ঘরের ভেতরে বা খাঁচায় সম্পূর্ণ আবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়।

    ২. খাবারের উৎস:

    • মুক্ত পালন পদ্ধতি: মুরগি নিজে নিজেই পোকামাকড়, ঝরা শস্যদানা, ঘাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক খাদ্য খুঁজে খায়। সামান্য সম্পূরক খাবার দিলেই চলে।
    • আবদ্ধ পালন পদ্ধতি: মুরগির সম্পূর্ণ পুষ্টির জন্য শতভাগ সুষম দানাদার খাদ্য ও পুষ্টিকর উপাদান খামারিকে সরবরাহ করতে হয়।

    ৩. রোগব্যাধি ও নিরাপত্তা:

    • মুক্ত পালন পদ্ধতি: খোলামেলা চরে বেড়ানোর কারণে রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে এবং শিকারী প্রাণী ও চোরের ভয় বেশি থাকে।
    • আবদ্ধ পালন পদ্ধতি: কঠোর জীবনিরাপত্তা (Biosecurity) বজায় রাখা যায়, ফলে মহামারি বা চুরির আশঙ্কা অনেক কম থাকে।

    ৪. উৎপাদনশীলতা ও ব্যবস্থাপনা:

    • মুক্ত পালন পদ্ধতি: ডিম ও মাংসের উৎপাদন তুলনামূলক কম হয় এবং ডিম সংগ্রহের নির্দিষ্ট নিশ্চয়তা থাকে না।
    • আবদ্ধ পালন পদ্ধতি: আধুনিক বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনায় উন্নত জাতের ব্রয়লার বা লেয়ার মুরগি পালন করে সর্বোচ্চ ডিম ও মাংস উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়।

    ৫. প্রাথমিক ব্যয় ও বিনিয়োগ:

    • মুক্ত পালন পদ্ধতি: আবাসন ও খামার নির্মাণে খরচ প্রায় নেই বললেই চলে; স্বল্প পুঁজিতে সম্ভব।
    • আবদ্ধ পালন পদ্ধতি: ঘর তৈরি, খাঁচা/লিটার স্থাপন, বায়ু চলাচল ও লাইটিংয়ের জন্য তুলনামূলক অধিক পুঁজি ও কারিগরি জ্ঞানের প্রয়োজন হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন