ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র প্রশ্ন

ভিয়েতনাম যুদ্ধের পূর্বে নেতা হো চি মিন জনগণের উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দেন তাতেই যুদ্ধ প্রস্তুতির সবকিছু তুলে ধরেন। এ ভাষণ থেকেই ভিয়েতনামবাসী যুদ্ধ জয়ের মূলমন্ত্র পেয়ে যায়। ফলে যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই জনগণ প্রতিটি এলাকায় গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলে।

  1. ক)

    ১৯৭০ সালের নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়?

    (1)
  2. খ)

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত ভাষণের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ভাষণের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত ভাষণে বাঙালি জাতি কীভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে তাকে 'জাতির পিতা' বলা হয়। তিনিই বাঙালির স্বাধিকারের সনদ ছয় দফা প্রণয়ন করেন, সত্তরের নির্বাচনে জনগণের একক ম্যান্ডেট লাভ করেন এবং ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ডাক দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। সমগ্র জাতিকে তিনি মুক্তির মোহনায় একত্রিত করেছিলেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত নেতা হো চি মিনের ভাষণের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, হো চি মিন যুদ্ধের প্রস্তুতির সবকিছু ভাষণের মাধ্যমেই তুলে ধরেন এবং এর মধ্য দিয়ে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একইভাবে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে 'তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো' এবং 'ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো' বলে মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরোধ সংগ্রামের পূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন, যা বাঙালিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

    এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু একদিকে পাকিস্তানিদের দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন, অন্যদিকে আসন্ন রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের জন্য জাতিকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বজ্রকণ্ঠের "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" ঘোষণাটি বাঙালির মনে স্বাধীনতার অপ্রতিরোধ্য স্পৃহা জাগিয়ে তোলে। ভাষণের নির্দেশ অনুযায়ী বাঙালিরা যার যা কিছু ছিল—লাঠি, বল্লম, রাইফেল—তা নিয়েই শত্রুর মোকাবেলা করার সংকল্প গ্রহণ করে। এই ভাষণ কার্যত একটি দিকনির্দেশনামূলক যুদ্ধের কৌশল হিসেবে কাজ করেছিল, যা কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে ও একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করতে সর্বোচ্চ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন