ভূগোল ২য় পত্র • খনিজ ও শক্তি সম্পদ • Combined Board • ঢাকা, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশের একটি শক্তি সম্পদ যার ওপর ভিত্তি করে বড়পুকুরিয়া কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। এ খালাসপীর, জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ প্রভৃতি অঞ্চলেও এ সম্পদ পাওয়া যায়। সম্পদটি উত্তোলন এবং সঞ্চয়ের দিক থেকে ভারত পৃথিবীর অন্যতম প্রধান দেশ।
- ক)(1)
শক্তি সম্পদ কী?
- খ)(2)
বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবদান গুরুত্বপূর্ণ- ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শক্তি সম্পদটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত দুদেশে সম্পদটি সংরক্ষণ পদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে তাপ, বিদ্যুৎ বা যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন করে শিল্প, যানবাহন ও দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা যায়, সেগুলোকে শক্তি সম্পদ বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উচ্চফলনশীল ও প্রতিকূল পরিবেশ-সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। খরা, লবণাক্ততা এবং জলমগ্নতা সহনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে, যা সীমিত জমিতে দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শক্তি সম্পদটি হলো কয়লা, যা বড়পুকুরিয়া, খালাসপীর ও জামালগঞ্জে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লার ওপর ভিত্তি করে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে দেশের শিল্পায়ন ও কৃষি সেচ ব্যবস্থাকে সচল রাখছে। এছাড়া ইটের ভাটা এবং ধাতব শিল্পেও কয়লা অন্যতম প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে আসার কারণে বিকল্প ও টেকসই জ্বালানি হিসেবে কয়লার কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহত করতে পারে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত দুটি দেশ হলো বাংলাদেশ ও ভারত এবং সম্পদটি হলো কয়লা। ভারতে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুত রয়েছে এবং দেশটি প্রধানত উন্মুক্ত ও ভূগর্ভস্থ—উভয় পদ্ধতিতেই কয়লা উত্তোলন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে। ভারতে কয়লা ধুলাইকরণ (Coal Washery) এবং পরিবেশবান্ধব মজুতকরণ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশে মাটির গভীরতা ও কৃষিজমির স্বল্পতার কারণে প্রধানত আধুনিক ভূগর্ভস্থ খনি পদ্ধতিতে (যেমন বড়পুকুরিয়ায় লংওয়াল মাইনিং) কয়লা উত্তোলন করা হয়। দেশে উত্তোলিত কয়লা সংরক্ষণাগারে দ্রুত ব্যবহারোপযোগী করে কোল ইয়ার্ডে রাখা হয় এবং স্বতঃস্ফূর্ত দহন (spontaneous combustion) রোধে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ভারতের সংরক্ষণ ও ব্যবহারিক অবকাঠামো বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত ও উন্নত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও